প্রথমবারের মতো ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেলেন সঞ্জয় লিলা বানসালি, ‘বাজিরাও মাস্তানি’ সিনেমার জন্য। সঞ্জয় জানালেন, পুরস্কারটি তার জন্য ‘বিশেষ’ কারণ এই প্রাপ্তি তার মায়ের দীর্ঘদিনের কামনা পূরণ করেছে।
৫৩ বছর বয়সী এই নির্মাতা বলেন, “পরিচালক হিসেবে এই আমার প্রথম জাতীয় পুরস্কার। এটা আসলেই আমার জন্য খুব বিশেষ পাওয়া। আমার মা সব সময় প্রার্থনা করতো যেন আমি একটা জাতীয় পুরস্কার পাই এবং আজ সেটা পেলাম।”
তিনি আরো বলেন, “অচেনা নাম্বার থেকে লোকজন আমাকে ফোন করতে শুরু করে, এর মধ্যে থেকে আমি একটি কল ধরি এবং শুনতে পাই জাতীয় পুরস্কার পাওয়ার আমার প্রতিক্রিয়া জানতে চায় তারা। আমার মা শুনে চিৎকার করে ওঠে। তাকে আনন্দিত দেখতে পাওয়া আমার জন্য অনেক কিছু।”
দিপিকা পাড়ুকোন, রানভির সিং এবং প্রিয়াঙ্কা চোপড়া অভিনীত ত্রিভুজ প্রেমের সিনেমা ‘বাজিরাও মাস্তানি’। মারাঠা সেনানায়ক পেশোয়া বাজিরাও এবং তার দ্বিতীয় স্ত্রী রাজকন্যা মাস্তানির ঐতিহাসিক প্রেমকাহিনিনির্ভর সিনেমাটি শুধু ব্যবসায়িক সাফল্যই পায়নি, অ্যাওয়ার্ড আসরগুলোতে রাজত্ব করেছে।
বানসালি আরো বলেন, “‘বাজিরাও মাস্তানি’ নিয়ে আমরা ইতিহাস সৃষ্টি করেছি। সম্মাননা পেয়ে আমি রোমাঞ্চিত।”
বানসালির পাশাপাশি একই সিনেমার জন্য পার্শ্ব-চরিত্রে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পাচ্ছেন তানভি আজমি, রোমো ডিসুজা পাচ্ছেন সেরা নৃত্য সম্পাদনার পুরস্কার, সুদীপ চ্যাটার্জি সেরা চিত্রগ্রহণের পুরস্কার, প্রোডাকশন ডিজাইন টিম এবং রিরের্কডিস্ট জাস্টিন জোসও পেয়েছেন স্ব স্ব ক্ষেত্রে সেরার স্বীকৃতি।
বিধু বিনোদ চোপড়ার সহকারী হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করা বানসালির সঙ্গে জড়িয়ে আছে ‘পারিন্দা’, ‘১৯৪২: আর লাভ স্টোরি’র মতো সিনেমাগুলো। ১৯৯৬ সালে নিজের অভিষেকও হয় তেমনই এক সিনেমায়, ‘খামোশি: এক মিউজিকাল’। এরপর একে একে নির্মাণ করেছেন ‘দেবদাস’, ‘ব্ল্যাক’, 'গোলিও কি রাসলিলা: রামলিলা’র মতো সিনেমাগুলো।
এআইজে





