ইউরোপের প্রখ্যাত ডেনিশ টিভি ডিআরথ্রি (উজ৩) এবং কনসার্ন ইমপ্যাক্ট টিভির  যৌথভাবে আন্তর্জাতিকমানের বেশ কয়েকটি টিভি চ্যানেলসহ জাপানের ফুজি টিভি অনুরূপ বিশ্বেও বিভিন্ন দেশের হতদরিদ্র মানুষ ও সেসব দেশের ধনকুবেরদের সম্পদের আকাশপাতাল বৈষম্যের কারণ অনুসন্ধান পূর্বক একটি প্রামাণ্য চিত্র নির্মাণ করছে।

উভয়টিভি ২টি দীর্ঘ ৪০ মাস ব্যাপক গবেষণা শেষে বাংলাদেশসহ কয়েকটি দরিদ্র দেশের অবিশ্বাস্য উন্নয়নের চিত্র উৎঘাটন করেছে। এক্ষেত্রে দলের সিনিয়র রির্পোটার ও এ্যাংকর  ক্রিষ্টোফার এরিক্সন এবং তাঁর টিম বর্তমানে এ বিষয়ে চিহ্নিত বাংলাদেশসহ চারটি দেশ সফর করছে। প্রামাণ্য চিত্রের মূল বিষয় হল দরিদ্র দেশ সমূহের ধনকুবেরদের সাথে সংশ্লিষ্ট দেশের হতদরিদ্র জনগণের জীবনমানের বৈষম্য উদঘাটন করা।

ডেনমার্কের জনগণকে এই প্রামাণ্য চিত্রের মাধ্যমে সম্যক ধারণা দেওয়া হবে যে, এই সব বিত্তবান তাঁদের জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে অভূতপূর্ব ভূমিকা রেখেছেন। একই সাথে তাঁদের অগ্রণী ভূমিকার চিত্রসহ তাঁদের নিত্য-নৈমিত্তিক বর্ণাঢ্য জীবনের ধারণা প্রদানের পাশাপাশি দরিদ্র জনগণের প্রাত্যহিক জীবন ও তুলে ধরা হবে।

গভীর অনুসন্ধান ও ব্যাপক তথ্যাদি গ্রহণের মাধ্যমে ডেনিশ টিভি ডিআরথ্রি ও কনসার্ন ইমপ্যাক্ট টিমের গবেষকরা নিশ্চিত হয়েছেন যে, ড. মূসা বিন শমশের বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ধণাঢ্য ব্যক্তি। ড. মূসাই তাঁর দেশের জনশক্তি রপ্তানির জনক এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে একমাত্র এই খাতেরই সর্বোচ্চ ভূমিকা বিদ্যমান। 

ক্রিষ্টোফার এরিক্সন তার জনগণকে দেখাতে চান যে, প্রিন্স মূসা কিভাবে তার দেশের জনগণকে সর্বাত্মক সহযোগিতা দিয়েছেন। যুদ্ধ-বিধ্বস্ত, অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত এবং বিশ্বের দরিদ্রতম  দেশ থেকে দূরদর্শী মূসা বিন শমশের কি প্রক্রিয়ায় লক্ষ কোটি মানুষের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ প্রদানের মাধ্যমে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুললেন।এটাই আলোচ্য টিভির প্রামাণ্য চিত্রের মূল উপজীব্য বিষয়।

অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথিকৃৎ তিনি বাংলাদেশের লক্ষ কোটি মানুষের অনিবার্য  নিয়তি কী করে ইতিবাচক পরিবর্তনের পথে অগ্রসরে সক্ষম হলেন এ দলের অনুসন্ধানের বিষয় সেটাই। ড. মূসার প্রতি বাংলাদেশের মানুষ যে চির কৃতজ্ঞতা- সে বিষয়টি ও কার্যকারণসহ প্রামাণ্যচিত্রে পরিবেশিত হবে।


ডিআরথ্রি এবং কনসার্ন ইমপ্যাক্ট টিভি একই সাথে বাংলাদেশের একমাত্র ধনকূবের ও বণাঢ্য জীবনের অধিকারী বিশ্বের  গ্রেটেষ্ট ষ্টাইল আইকন ও বিশ্বের বেষ্ট ড্রেস্ম্যান ড. মূসার জীবনযাপনের উপরেও ব্যাপক আলোকপাত করবে। নির্মাতারা ড. মূসা কিভাবে সাফল্যের চুড়ায় আরোহন করলেন সেই বিষয়টিও চিত্রায়নের প্রয়াস নেবে। ক্রিষ্টোফারের এই প্রামাণ্য চিত্রনির্মাণের মূল লক্ষ হলো বাংলাদেশে হতদরিদ্র ও বিত্তবানদের অসম অবস্থান দূরীভূত করার পন্থা উৎঘাটন।


এই মহান লক্ষ্যে উদ্বুদ্ধ ডিআরথ্রি ও কনসার্ন ইমপ্যাক্ট টিভি দলটির প্রযোজক সান্ড্রা হিউগার্ডের  নেতৃত্বে বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন। এ্যাংকর ক্রিষ্টোফার এবং ক্যামেরা ক্রুরা ইতিমধ্যেই ড. মূসার গুলশানের প্রাসাদে, বনানী কার্যালয়ে এবং আরো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় সুটিং সম্পন্ন করেছে।


ইতিমধ্যে হলিউডে প্রিন্স মূসার জীবন ভিত্তিক পূর্ণদৈর্ঘ্য ছায়াছবির চিত্রনাট্য চূড়ান্ত করতে গত সপ্তাহে হলিউডের প্রযোজক, পরিচালক এবং প্রযোজনাটিম প্রিন্স মূসার সাথে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন। এটা অনস্বীকার্য যে, হলিউডের এই দলটি বণাঢ্য জীবনের অধিকারী মূসা বিন শমশেরের জীবন যাপন নিয়ে ছবিটি বানাচ্ছে।

সূত্রে প্রকাশ করেছে যে, ড. মূসার পূর্ণ সম্মতিতে চলচ্চিত্রের যাবতীয় প্রস্তুতি হলিউডে ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

ওএফ