আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে দাবি না মানলে টেলিভিশন শিল্পী ও কলাকুশলীরা সারাদেশে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন ফেডারেশন অব টেলিভিশন প্রফেশনাল অর্গানাইজেশনের (এফটিপিও) আহ্বায়ক মামুনুর রশীদ।
বুধবার বিকেল পৌনে ৫টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে টেলিভিশন শিল্পী ও কলাকুশলীদের পাঁচ দফা দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
মামুনুর রশীদ বলেন, আগামী ১৫ ডিসেম্বরের পর দেশীয় চ্যানেলগুলোতে বিদেশি অনুষ্ঠান বা ডাবিংকৃত অনুষ্ঠান চললে আমরা শিল্পী-কলাকুশলীরা সেই চ্যানেলের সামনে অবস্থান নেব। আর আমাদের পাঁচ দফা দাবি ৩১ ডিসেম্বরের ভেতর না মানলে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলব।
_32443_1480495420.jpg)
শিল্পীদের নিরাপত্তা আরো বাড়ানোর দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, আজ যারা আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন তাদের কাউকে ব্ল্যাক লিস্টে ফেললে কিংবা তাদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে কোনো ব্যবস্থা নিলে তা কঠোরহস্তে দমন করা হবে।
তিনি আরো বলেন, দেশীয় অনুষ্ঠান চালাতে গিয়ে বা আমাদের ঐতিহ্য রক্ষায় যদি কোনো দেশীয় চ্যানেল ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাহলে সেই চ্যানেলকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে আমরা সবাই মিলে কাজ করব। কিন্তু কোনো চ্যানেল মালিক যদি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে চিত্রশিল্পী বা কলাকুশলীদের অবস্থান দুর্বল করতে চায় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

এর আগে পাঁচ দফা দাবিতে সকাল ১১টা থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশে মিলিত হন টেলিভিশন শিল্পী ও কলাকুশলীরা।
তাদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- দেশের বেসরকারি চ্যানেলে বাংলায় ডাবিংকৃত বিদেশি সিরিয়াল বা অনুষ্ঠান বন্ধ করতে হবে, টেলিভিশন অনুষ্ঠান নির্মাণ ক্রয় ও প্রচারের ক্ষেত্রে ক্লায়েট বা এজেন্সির হস্তক্ষেপ ব্যতীত চ্যানেলের অনুষ্ঠান সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হতে হবে, টেলিভিশন শিল্পের সর্বক্ষেত্রে এআইটির ন্যূনতম যৌক্তিক হার পুনর্নির্ধারণ করতে হবে, দেশের টেলিভিশন শিল্পে বিদেশি শিল্পী ও কলাকুশলীদের অবৈধভাবে কাজ করা বন্ধ করতে হবে, বিশেষ প্রয়োজনে কাজ করতে হলে সরকারের অনুমতি এবং সংশ্লিষ্ট সংগঠনসমূহে নিবন্ধিত হতে হবে, ডাউনলিংক চ্যানেলের মাধ্যমে বিদেশি চ্যানেলের দেশীয় বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধ করতে হবে।
জারিফ





