আর কখনও নিজের সেই পছন্দের স্থানটিতে আসা হবে না। ফ্রেমে গাঁথা হবেনা নিজের স্বপ্নগুলো। সহকর্মীরাও কখনও আর সদা হাস্যজ্জল মানুষটিকে পাশে পাবেন না। শেষবারের মত নিজের প্রাণের স্থান থেকে বিদায় নিলেন সবার পছন্দের চাষী ভাই। অশ্রুসিক্ত নয়নে ভিজে গেল এফডিসি।
গতকাল রাজধানীর ল্যাব এইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুনিয়া ছেড়ে বিদায় নেন বরেণ্য চলচ্চিত্রকার ও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত নির্মাতা চাষী নজরুল ইসলাম। মৃত্যুর পর তার মরদেহ রাখা হয় হাসপাতালের হিমঘরে।
সেখান থেকে আজ সোমবার সকাল সাড়ে দশটায় মরদেহ নিয়ে আসা হয় চলচ্চিত্রের প্রাণ কেন্দ্র এফডিসিতে। লাশ আসার পর পর এফডিসিতে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। উপস্থিত সবার অশ্রুসিক্ত নয়নে ভিজে যায় এফডিসি।
গুণী এই নির্মাতাকে বিদায় জানাতে এফডিসিতে এসেছিলেন নায়করাজ রাজ্জাক, ববিতা, সুচন্দা, কবরী, আলমগীর, ফারুক, চম্পা, মিশা সওদাগরসহ অনেক।
এ সময় তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের উপস্থিতিতে চাষী নজরুলকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। রাষ্ট্রীয়ভাবে এ শ্রদ্ধা শেষে দুপুর ১২টা ২৭ মিনিটে বায়তুল মোকাররম প্রাঙ্গণে তার চতুর্থ নামাজে জানাজার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।
সেখানে ১টা ৪০ মিনিটে চাষী নজরুল ইসলাম জানাজা সম্পন্ন হয়। জানাজায় ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররমের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মহিবুল্লাহ-ইল আল বাকী আল নদভী।
জান যায়, চাষী নজরুল ইসলামকে এখন মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর থানার সমষপুর গ্রামে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। চাষী নজরুলের ইচ্ছানুসারেই সেখানে তার মায়ের কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে তাকে।
উল্লেখ্য, তিনি দীর্ঘদিন ধরেই ফুসফুস ক্যানসারের রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৭৩ বছর।
জেআই





