মানবিক ও ব্যবসায়িক কারণে ছাড়পত্র পেল হিটম্যান। ৩০ সে সেপ্টেম্বর বিকালে হিটম্যান ছবি প্রদর্শিত হলে সেন্সরবোর্ড নকলের অভিযোগে ছবিটিকে ছাড়পত্র দেই নি। সে সময় সেন্সরবোর্ডের সদস্য সাইফুল ইসলাম চৌধুরী জানিয়েছিলেন যে, ছবিটি তামিল ভেত্তাই ছবির নকল বলে আমরা ছাড়পত্র দেইনি।
কিন্তু একদিন পার হতে না হতেই ছবির প্রযোজক নানা রকমের দফারফা করে ছবির ছাড়পত্র আদায় করে নেন। এ প্রসঙ্গে আবারো সেন্সরবোর্ডের সদস্য ও বাংলাদেশ প্রদর্শক সমিতির সভাপতি সাইফুল ইসলাম চৌধুরীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ছবিটি তামিল ছবির নকল। এতে কোনো সন্দেহ নেই। গতকাল এই বোর্ডই ছবিটিকে সেন্সর না দিয়ে নিষিদ্ধ করেছিলো আজ আবার তারাই এটাকে সেন্সর দিলো।
কেন দিলো? এর উত্তর আমার কাছে নেই। এর জবাব দিতে পারবেন ভাইস চেয়ারম্যান। এসব নিয়ে কিছু বলতে চাই না। মাঝে মাঝে সেন্সরবোর্ডে থাকতে হয় তাই থাকি।
এ প্রসঙ্গে ভাইস-চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
বুধবার বিকালে সেন্সরবোর্ডের একটি বিশেষ সভার মাধ্যমে ছবিটিকে ছাড়পত্র প্রদান করা হয়। নায়করাজ রাজ্জাক, সঙ্গীতশিল্পী আব্দুল জব্বার, কবি, ছড়াকার আসলাম সানীসহ সেন্সরবোর্ড সদস্য ও উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা ঐ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
বিষয়টি নিয়ে সঙ্গীত শিল্পী আব্দুল জব্বারের কাছে জানতে চাইলে তিনি না জানার ভান করে বলেন, হিটম্যান কি? এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।
নকলের অভিযোগে অভিযুক্ত একটি ছবিকে কেন ছাড়পত্র দিলেন? প্রশ্নের জবাবে জব্বার বলেন, নকল কোথায় নেই? সব জায়গাতেই নকল আছে। এটা কোনো ব্যাপার না।
এদিকে আসলাম সানীর কাছে এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ছবিটি তামিল ভেত্তাই ছবির এ টু জেড নকল। ড্রেস থেকে শুরু করে সবকিছুতেই আমরা নকল পেয়েছি।
এমন নকল জেনেও কেন সেন্সর ছাড়পত্র দেওয়া হলো জানতে চাইলে তিনি বলেন, এক-দেড় কোটি টাকা খরচ করে একটি ছবি নির্মাণ করেছেন তারা। ঈদের মৌসুমের মতো একটা সময়ে তারা প্রচুর ক্ষতির সম্মুখীন হবে। তাই অনেকটা মানবিক কারণেই ছবিটিকে সেন্সর ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
জেআই





