এবারের মিস ওয়ার্ল্ড ২০১৯’র সেরার মুকুট উঠেছে জ্যামাইকান সুন্দরী টনি-অ্যান সিং এর মাথায়। গতকাল শনিবার প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালেতে তার নাম ঘোষণা করেন মিস ওয়ার্ল্ড অর্গানাইজেশনের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জুলিয়া মোরলি।

আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানা যায়, এবার অন্য সব প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে বিজয়ী হন টনি। ১৯৯৩ সালের পর এই প্রথমবারের মতো কোনো জ্যামাইকান নারী শিরোপা জিতলেন।

এক প্রশ্নের জবাবে টনি জানান, তিনি এই শিরোপাকে নারী ও শিশুদের অর্থবহ পরিবর্তনের জন্য ব্যবহার করবেন। ‘মি টু’ আন্দোলনের এই সময়ে সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা কতটা গুরুত্বপূর্ণ, এমন প্রশ্নও করা হয় তাঁকে। উত্তরে টনি বলেন, আমার অর্জনের চেয়ে সৌন্দর্য কম গুরুত্বপূর্ণ।’

২৩ বছর বয়সী টনি বলেন, ‘আমি অর্থবহ পরিবর্তন আনতে চাই। আমরা যদি নারীদের কথা বলি, তাহলে তাঁদের সন্তান ও সন্তানের শিশুদের জীবনের মূল্যবোধ থাকতে হবে।’ তবে কী ধরনের পরিবর্তন আনতে চান টনি, তা স্পষ্ট হয়নি।

টনির মতে, ‘সৌন্দর্য, আকর্ষণ ও শক্তির মতো বিষয়গুলোকে উপভোগ করার ব্যাপারটি ঠিক আছে, কিন্তু এটি অনেক ক্ষেত্রেই বেশি হয়ে যায়।’ মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের পর তাঁর নিজের মধ্যে বেশ কিছু পরিবর্তন এসেছে বলে জানান টনি।

‘যেকোনো মেয়ে একটু ইচ্ছের জোরে স্বপ্নকে ছুঁতে পারে’- নতুন মিস ওয়ার্ল্ড, জ্যামাইকার টনি অ্যান সিং এ কথায় বিশ্বাস করেন।

২৩ বছর বয়সী টনি-অ্যান সিং চতুর্থ জ্যামাইকান যিনি এই মুকুটের মালিক হয়েছেন। এর আগে ১৯৬৩, ১৯৭৬, ১৯৯৩ সালে জ্যামাইকা থেকে মিস ওয়ার্ল্ড নির্বাচিত হয়েছিল। হিসেব মতে, ২৬ বছর পর মিস ওয়ার্ল্ডের মুকুট জ্যামাইকানের মাথায় শোভা পেল।

ফ্লোরিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া এই মিস ওয়ার্ল্ড, মনোবিজ্ঞানের ছাত্রী। স্বপ্ন তার চিকিৎসক হওয়ার। তিনি জানিয়েছেন, অবসর তার গান শুনেই কাটে। তবে রান্নাটাও টনি-অ্যান সিংয়ের বেশ পছন্দের। সময় পেলেই এটা-সেটা রেঁধে ফেলেন তিনি।

এবারের মিস ওয়ার্ল্ডে বাংলাদেশ থেকে প্রতিনিধিত্ব করেন রাফিয়া নানজিবা তোরসা। তবে জেসিয়া আর ঐশীর মতো সফল হতে পারেননি তোরসা। জেসিয়া আর ঐশী যথাক্রমে সেরা ৪০ ও সেরা ৩০-এ জায়গা করে নিলেও সেরা ৪০-এ ঠাঁই হয়নি তোরসার।

এমএম