‘সুস্থ সংস্কৃতির নান্দনিক বিকাশ ও নৈতিকতা সমৃদ্ধ সমাজ’ এই শ্লোগানকে ধারণ করে মননশীল সংস্কৃতির চর্চা ও বিকাশে কাজ করে যাচ্ছে সমন্বিত সাংস্কৃতিক সংসদ (সসাস)।
তারই ধারাবহিকতায় এই সংগঠনটি ২য় বারের মতো আয়োজন করে, সসাস জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ‘সেরাদের সেরা - ২০১৬’।
থানা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে প্রায় পনের হাজার প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে সংগীত, আবৃত্তি ও অভিনয় এই তিনটি ইভেন্টে গ্রান্ড ফিনালে উত্তীর্ণ হয় ৬০ জন প্রতিযোগী।
গতকাল বুধবার রাজধানীর এক মিলনায়তনে তীব্র প্রতিদ্বন্দিতা ও প্রানবন্ত উপস্থাপনার মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয় আলো ঝলমলে ‘গ্রান্ড ফিনালে’। তিনটি ইভেন্টে ‘ক’ ও ‘খ’ দুইটি গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ৬ জন, যাদেরকে দেয়া হয় স্বর্ণপদক ও সার্টিফিকেট।
১ম ও ২য় স্থান অর্জনকারী ১২ জনকে দেয়া হয় রৌপ্যপদক ও সার্টিফিকেট। এছাড়া গ্রান্ড ফিনালে অংশগ্রহণকারী সকল প্রতিযোগীকেই দেয়া হয় ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার ও বক্তব্য প্রদান করেন খ্যাতিমান কবি আল মাহমুদ।
সসাসের নির্বাহী পরিচালক হাসান আতিকের সভাপতিত্বে ও সহঃ পরিচালক আরিফুল ইসলামের ব্যবস্থাপনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন নজরুল সঙ্গীত শিল্পী এম এ মান্নান, কবি আসাদ বিন হাফিজ, আবৃত্তিকার নাসিম আহমেদ, তাফাজ্জল হোসাইন খান, কবি মোশাররফ হোসেন খান, নাট্যকার শাহ আলম নূর, সসাসের সাবেক নির্বাহী পরিচালক গোলাম মাওলা শিমুল ও মোস্তফা মনোয়ার প্রমুখ।
এসএম
এছাড়াও প্রতিযোগিতায় শিল্পী আব্দুর রউফ এর উপস্থাপনায় বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্পী মশিউর রহমান, আবৃত্তিকার শরীফ বায়েজিদ মাহমুদ, এম. সাইফুল আরেফিন, আবৃত্তিকার ইকবাল সাকী, অভিনেতা মাহবুব মুকুল ও মাসুদ রানা।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, সুস্থ সংস্কৃতির চর্চা ও বিকাশে দক্ষ জনবল তৈরির কোন বিকল্প নেই। সারা দেশ থেকে খুঁজে বের করা এই প্রতিভাগুলোই তাদের সৃজনশীলতা দিয়ে সংস্কৃতির বিভিন্ন বিভাগে সমৃদ্ধি আনয়ন করবে। সসাসের এই গ্রান্ড ফিনালে আমাকে আশাবাদী করেছে। সভাপতির বক্তব্যে সসাসের নির্বাহী পরিচালক হাসান আতিক এই আয়োজনকে স্বার্থক করে তুলতে প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথিবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।
এসএম





