বসন্ত ভ্যালি স্কুলে পড়া-লেখা শেষ করে দিল্লির লেডি শ্রীরাম কলেজে ভর্তি হন মিরা রাজপুত। বর্তমানে তার বয়স ২১। অপরদিকে শহিদের বয়স ৩৪।বয়সে শহিদের চেয়ে ১৩ বছরের ছোট মিরা।

মিরা শ্রীরাম কলেজের ইংরেজিতেস্নাতক তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী। রাধা স্বামী সৎসঙ্গ বেয়াস নামের একটি ধর্মীয় সংগঠনের অনুসারী শহিদ ও তাঁর বাবা অভিনেতা-নির্মাতা পঙ্কজ কাপুর।

ধর্মীয় এই সংগঠনটিতেই মিরার সঙ্গে শহিদের পরিচয় হয়। মিরাকে দেখার পর তাঁকে ছেলের জীবনসঙ্গী হিসেবে দারুণ পছন্দ করে ফেলেন পঙ্কজ কাপুর। শহিদ ও মিরাকে জুটি হিসেবে দারুণ মানাবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন তিনি।

গত ১৪ জানুয়ারি আংটি বদলের পর্ব সেরেছেন শহিদ-মিরা। অবশেষে ৭ জুলাই মঙ্গলবার দিল্লির গুরুগাঁওতে পাঞ্জাবি ঐতিহ্যে শহিদ-মিরার বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।

টুইটারে প্রকাশিত বিয়ের একটি ছবিতে দেখা গেছে, সাত পাকে বাঁধা শেষে শহিদের পাশে বসে আছে লাল টুকটুকে শাড়িতে কনে মিরা রাজপুত।

বিয়ে উপলক্ষে মঙ্গলবার বিকেলে গুরুগাঁওয়ের দ্য ওবেরয় হোটেলের বলরুমের পার্টির আয়োজন করা হয়েছে। এই হোটেলেই সবার থাকার ব্যবস্থা করেছেন শহিদ।

সে কারণে সুইমিং পুল, জিম, গ্র্যান্ড প্রেসিডেন্সিয়াল সুটসহ এই হোটেলের ৫০টি ঘর এই অনুষ্ঠানের জন্য বুক করা হয়েছে। ৫০০ অতিথি আমন্ত্রিত হয়েছেন শহিদের বিয়েতে।

গুরুগাঁওয়ের ট্রাইডেন্ট হোটেলের কিলান্ট্রো রেস্তোরাঁ অতিথি আপ্যায়নে এক্সক্লুসিভ খাবার তৈরী করেছিলেন। শহিদ ও মিরা দুজনের পরিবারই রাধা স্বামী ধর্মে বিশ্বাসী হওয়ায় বিয়ের মেন্যু ছিল সম্পূর্ণ নিরামিষ।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ডিনার পার্টির আয়োজন মুখরিত ছিল বিবাহ অনুষ্ঠান।

২০০৭ সালে কারিনার সঙ্গে প্রেম ভেঙে যাওয়ার পর শহিদের প্রেমিকা হিসেবে শোনা গেছে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, সোনাক্ষী সিনহা ও বিদ্যা বালানের মতো তারকাদের নাম।

তবে প্রেম নিয়ে কখনোই মুখ খোলেননি শহিদ।তবে শেষ পর্যন্ত জীবনসঙ্গী হিসেবে শহিদ মিরা রাজপুতকে চূড়ান্ত করেছেন।

এমকে