এক সময়ের জনপ্রিয় নায়ক রিয়াজ। বর্তমানে সিনেমার ব্যস্ততা একেবারেই নেই। তবে টিভি পর্দায় নিয়মিত অভিনয় করছেন তিনি। পাশাপাশি করছেন ব্যবসাও। বর্তমান ব্যস্ততা ও অন্যান্য প্রসঙ্গ নিয়ে কথা বলেছেন তিনি।
ব্যবসা কেমন চলছে?
ব্যবসা শুরু করেছি খুব তো বেশি দিন হয়নি। অল্প সময়েও বেশ ভালোই সাড়া পেয়েছি। তবে আরও ভালো কিছুর জন্য কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।
আর অভিনয়ের ব্যস্ততা?
অভিনয়ের ব্যস্ততা তো থাকছেই। বড় পর্দায় ব্যস্ততা না থাকলেও ছোট পর্দায় অভিনয় নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছি। আর সামনে তো কোরবানির ঈদ। তাই ব্যস্ততার পরিমাণ অন্যান্য সময়ের চেয়ে একটু বেশি।
ঈদের নাটকে কাজ শুরু করেছেন?
ঈদের নাটকে শুটিং শুরু করেছি। ইতিমধ্যে ‘প্রেমিকা’ নামের একটি খণ্ড নাটকের শুটিং শেষ করেছি। আরও দুটি নাটকের শিডিউল দেয়া আছে। সেগুলোও শুরু করব। এর বাইরেও হাফ ডজন নাটকে অভিনয় নিয়ে কথা চলছে।
ইদানীং বিজ্ঞাপনেও দেখা যাচ্ছে আপনাকে...
বিজ্ঞাপনে তো আগে থেকেই নিয়মিত আমি। যখন সিনেমায় অভিনয় করেছি তখনও বিজ্ঞাপনে নিয়মিত ছিলাম। তবে আমার পছন্দের মতো আইডিয়ার বিজ্ঞাপনের প্রস্তাব পাইনি বলে মাঝে কাজ করা হয়নি। একটি বিজ্ঞাপন অল্প সময় প্রচার হলেও অনেক বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে যায়। তাই যাচ্ছেতাই আইডিয়ার বিজ্ঞাপনে কাজ করতে চাই না।
সিনেমায় নেই কেন?
সিনেমায় না থাকার পেছনে অনেক কারণ রয়েছে। প্রথমত আমি অসুস্থ। সবসময় ডাক্তারের পরামর্শ নিয়েই আমাকে চলতে হয়। বড় পর্দায় বাণিজ্যিক ধারার ছবিগুলোয় কাজের ক্ষেত্রে শরীরের ওপর বেশি চাপ নিতে হয়। যা আমার জন্য একেবারেই নিষেধ। এ ছাড়াও বর্তমান প্রজন্ম যে ধরনের ছবির প্রতি আগ্রহ দেখায় সে ধরনের সিনেমার জন্য আমি প্রস্তুত নই। তাই সিনেমায় নয়, এখন থেকে নাটকেই নিয়মিত থাকব।
যৌথ প্রযোজনা বিষয়ে আপনার দৃষ্টিভঙ্গি কী?
যৌথ প্রযোজনায় নেতিবাচকের চেয়ে পজেটিভ বিষয় বেশি থাকে। তবে সেটি সঠিক নিয়মের মধ্যে থেকে হতে হবে। এখন বাংলাদেশ-ভারত যে নিয়মে যৌথ প্রযোজনায় ছবি নির্মিত হচ্ছে তাতে অনেক নিয়মই মানা হচ্ছে না। এতে করে আমাদের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি বেশ ক্ষতির মুখে পড়ছে। আমি যৌথ প্রযোজনার পক্ষে তবে সেটা নিয়মের মধ্যে থেকে। দেশের চলচ্চিত্রাঙ্গন ক্ষতির মুখে পড়ে এ ধরনের যৌথ পযোজনার পক্ষে কখনই ছিলাম না, এখনও নেই।(সুত্র যুগান্ত)
এমবিএইচ





