বরাবরের মত এবারও প্রশংসার সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের গ্লামারকন্যা পরীমনি। সম্প্রতি পরীমনি অভিনীত সিনেমা মহুয়া সুন্দরী সেন্সর বোর্ডে জমা দেয়া হয়। ২৩ জুলাই সিনেমাটি সেন্সরে প্রর্দশন করা হয়। এ সময় সেন্সর বোর্ডের সদস্যরা পরীমনির অভিনয়ের প্রশংসা করেন। সিনেমাটি বিনার্কতনের সেন্সর ছাড়পত্র পেয়েছে বলে সেন্সর সূত্রে জানা গেছে।

ময়মনসিংহ গীতিকা’র কাহিনি অবলম্বনে সরকারি অনুদানে নির্মিত এ সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন রওশন আরা নিপা। এ সিনেমার মাধ্যমে প্রযোজক হিসেবেও অভিষেক হচ্ছে পরীর। সরকারি অনুদানের পাশাপাশি সিনেমাটি প্রযোজনা করেছেন এ অভিনেত্রী। এতে পরীর বিপরীতে অভিনয় করেছেন চিত্রনায়ক সুমিত। এ ছাড়াও অভিনয় করেছেন মামুনুর রশীদ, বড়দা মিঠু’সহ অনেকে।

সিনেমাটি প্রসঙ্গে রওশন আরা নিপা বলেন, ‘এই প্রথম সরকারি অনুদান নিয়ে বাণিজ্যিক ধারার সিনেমা নির্মাণ হয়েছে। যা একই সঙ্গে দর্শককে আনন্দ দেবে এবং সামাজিক বার্তাও দেবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘তথ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী-সচিব থেকে শুরু করে সবাই সিনেমাটি শেষ পর্যন্ত দেখেছেন। কেউ কোনো আপত্তি করেনি। বরং প্রশংসা করেছেন। আশা করছি দর্শকের কাছেও প্রশংসিত হবো।’

পরীমনি বলেন, ‘আমি যখন এ সিনেমায় অভিনয় করেছি তখন আমি সিনেমাটির চরিত্রে পুরোপরি ঢুকে গিয়েছিলাম। এর ডাবিং করেছি শুটিংয়ের পাঁচ মাস পরে। তখন আমার অভিনয় দেখে আমিই অনেক অবাক হয়েছি কারণ অভিনয় ছিল অনেক জীবন্ত। এজন্য আমি অনেক বেশি কৃতজ্ঞ পরিচালকের কাছে। তিনি সিনেমাটির গল্প আমার মাথায় ঢুকিয়ে দিয়েছেন বলেই ভালো অভিনয় করতে পেরেছি।’

পরীমনি জানান, ‘এর আগে আমার পাঁচটি সিনেমা সেন্সর হয়েছে। সবগুলো সিনেমার মত এ সিনেমায়ও প্রশংসা পেয়েছি, এটা আমার কাছে অনেক বড় পাওয়া।

পরী-সুমিত জুটির মহুয়া সুন্দরী সিনেমাটির কালার গ্রেডিংয়ের কাজ করা হয়েছে ভারত থেকে। সিনেমাটিতে গান রয়েছে মোট ছয়টি। গানগুলোর সংগীতায়োজন করছেন অমিত ও ইমন সাহা।

ময়মনসিংহ গীতিকা ‘মহুয়া সুন্দরী’নিয়ে এর আগেও ১৯৬৬ সালে আলী মনসুর নির্মাণ করেছিলেন মহুয়া শিরোনামে একটি চলচ্চিত্র। ১৯৮৬ সালে শামসুদ্দিন টগর নির্মাণ করেন মহুয়া সুন্দরী নামের আরো একটি সিনেমা।

কেএইচ