ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইভা জানিয়েছেন তাকে পরিচালকদের শয্যাসঙ্গিনী হতে বাধ্য করতেন হায়দার। এর বাইরেও একাধিক অভিযোগ এনেছেন প্রাক্তন স্বামীর নামে।
এক সাক্ষাৎকারে ইভা বলেন, ‘সংসার চালাতে হবে— এই অজুহাতে ও (হায়দার আলি) আমাকে নির্দেশকদের সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করতে বাধ্য করত। বলত, ‘ঘর চালানা হ্যায়’ (সংসার তো চালাতে হবে)। আমার কাছে সেটাই ছিল সবকিছুর শেষ। কোনো নারী বা স্ত্রী এই ধরনের অত্যাচার মেনে নিতে পারে না। ওই ঘটনার পরেই আমি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিই।’
ইভা আরও জানান যে, এই সম্পর্কের মধ্যে কোনো ভালোবাসা বা সম্মান ছিল না। তিনি কেবল মানসিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছিলেন না, বরং তাকে প্রতিনিয়ত চরিত্রহনন ও অমানবিক পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছিল। নিজের আত্মসম্মান রক্ষা করতে এবং এই নরকযন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে তিনি হায়দার আলির সাথে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করে বিবাহবিচ্ছেদের পথে হাঁটেন।
প্রাক্তনের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে অভিনেত্রী বলেন, 'বর্তমানে হায়দারের অবস্থা একদমই ভাল না। না ওর কোনো থাকার জায়গা আছে, না খাবার। দুমুঠো খাবারের জন্যও ওকে লড়াই করতে হয়। কখনও কখনও কেউ ওকে নিজের বাড়িতে রাখেন, সেই দিনগুলো বস্তির কোনো ঘরে কাটায়, কখনও কোনো বন্ধু সাহায্য করে। আমার খুবই খারাপ লাগে। যা হয়েছিল আমাদের মধ্যে সেটা অতীত। কিন্তু একটা সময় তো ও আমার স্বামী ছিল। ওর চারপাশে এমন বহু মানুষ ছিল যাঁরা ওকে ক্রমাগত মদ খাইয়ে যেত। মদ্যপান করায় উসকানি দিত। এখন ওকে দেখার জন্য আর কেউ নেই। আমি শুধু চাই ও যেন শান্তিতে ভালো থাকে। অনেক কষ্ট পেয়েছে।'
এমএম