অভিনেত্রী হিসেবে জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর কোনো একটি বছরে ১৩ ও ১৪ এপ্রিল শুটিং করেছিলেন জেনি। কিন্তু সে বছর তার বাবা-মা বিষয়টিকে মেনে নিতে পারেননি। কারণ ১৩ এপ্রিল জেনির জন্মদিন। আর ১৪ এপ্রিল নববর্ষ। তাই ওই সময়ই জেনির বাবা-মা তাকে না করে দিয়েছিলেন যেন পরবর্তীতে বছরের এই দু’টি দিনে যেন জেনি শুটিং না রাখেন। জেনি কথা দিয়েছিলেন। তাই জেনি তার জন্মদিনে যেমন শুটিং রাখেননি। ঠিক তেমনি নতুন বাংলা বছরের প্রথম দিনেও শুটিং রাখেননি।
কী করবেন জেনি এবারের জন্মদিনে?- এমন প্রশ্নের জবাবে জেনি বলেন, আমি আসলে কিছু জানি না। কী করব না করব। হয়ত আমার স্বামী তানভীর খানের কোনো পরিকল্পনা থাকতে পারে। পরিকল্পনা থাকতে পারে আমার বাবা মা ভাই রাকিন ও বোন পিয়ানার। তবে জন্মদিন আমি পরিবারের সবার সাথে একসঙ্গে কাটাতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। জন্মদিনে সবার দোয়া চাই যেন সুস্থ থাকি, ভালো থাকি এবং ভালো ভালো নাটকে কাজ করতে পারি।
খুব ছোটবেলায় জেনির বাবা জেনিকে প্রত্যেক জন্মদিনে নূপুর কিনে দিতেন। জেনির বয়স তখন ছয় কি সাত। জন্মদিনের দিন ঘুম থেকে উঠে পায়ে নূপুর না দেখে কেঁদেছিলেন। পরে নবম শ্রেণীতে ওঠার পর তার বাবা তাকে স্বর্ণের নূপুর কিনে দিয়েছিলেন যা আজও যত্নে রেখে দিয়েছেন জেনি।
এ দিকে জেনি অভিনীত আবুল হায়াত পরিচালিত ‘আকাশের ওপারে আকাশ’ এনটিভিতে , মাসুদ মহিউদ্দিন পরিচালিত ‘নগর জোনাকী’ বৈশাখী টিভিতে এবং এম আর মিজানের ‘নগর আলো’ মাছরাঙ্গায় নিয়মিতভাবে প্রচার হচ্ছে।
প্রতিবছর জন্মদিনে স্কুল-কলেজের বন্ধুবান্ধবরাও তাকে সারপ্রাইজড করে।
এমআইএস।





