ভারতের পরিচালক মৃত্যুঞ্জয় দেবব্রত ইতিহাসের এক নির্মম অধ্যায়কে নিয়ে বাস্তবধর্মী ছবি বানিয়েছেন।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাসে ৩০ লাখ মানুষ জীবন দিয়েছেন। আর ৪ লাখ নারী পাকিস্তানি সেনাদের ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাসে গণহত্যা ও ধর্ষণকে পাকিস্তানি সেনারা অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছিল।
বাংলাদেশ ও ভারতে একসঙ্গে মুক্তি পেয়েছে ছবিটি।
পাকিস্তান সরকার ছবিটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। ভারতে ছবিটির নাম দেয়া হযেছে 'চিলড্রেন অব ওয়ার নাইন মান্থস অব ফ্রিডম'। পরিচালক অবশ্য ছবিটির নাম রেখেছিলেন 'দ্য বাস্টার্ড চাইল্ড'।
কিন্তু ভারতীয় সেন্সর বোর্ডের আপত্তিতে নাম পরিবর্তন করতে হয়েছে। তবে বাংলাদেশে ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে বাংলা ভাষান্তরে 'যুদ্ধ শিশু নামে। বাংলাদেশ সেন্সর বোর্ড ছবিটিতে কোন কাঁচি চালায়নি বলে জানিয়েছেন পরিচালক। তবে বাংলা ভাষান্তরে যেখানে যেখানে উর্দু ডায়ালগ রয়েছে সেগুলোকে বাংলায় ডাব করা হয়নি। পরিবর্তে সেখানে বাংলায় সাব টাইটেল দেয়া হয়েছে।
ছবিটিতে এমন কিছু ধর্ষণের দৃশ্য রয়েছে যেগুলো দেখলে শিউরে উঠবেন দর্শকরা। আর এ ধর্ষণের রোমহর্ষক দৃশ্যে অভিনয় করতে গিয়ে রাইমা সেন ও তিলোত্তমা সেনকে দিনের পর দিন রাতের অন্ধকারে শুটিং করতে হয়েছে। প্রতিটি দৃশ্য বাস্তবসম্মত করতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাত জেগে শুটিং করতে হয়েছে।
একটি দৃশ্যে ধর্ষণকারীদের টেনে ট্রাক থেকে নামানোর দৃশ্যে রাইমাকেও এমনভাবে টেনে নামানো হয়েছিল যে তার আহত হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু রাইমা তা মেনে নিয়েছিলেন ছবির স্বার্থে। এ দৃশ্যে অভিনয়ের কথা রাইমা কোন দিনও ভুলবেন না বলে জানিয়েছেন।
ছবিতে প্রধান নারী চরিত্রে অভিনয় করেছেন রাইমা সেন ও তিলোত্তমা সোম। এ ছাড়া অভিনয় করেছেন ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত, ভিক্টর ব্যানার্জি, পবন মালহোত্রা, প্রয়াত ফারুক শেখ প্রমুখ।
[b]ঢাকা, ১৭ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই[/b]
বিনোদন
দুই দেশে 'যুদ্ধ শিশু'
ভারতের পরিচালক মৃত্যুঞ্জয় দেবব্রত ইতিহাসের এক নির্মম অধ্যায়কে নিয়ে বাস্তবধর্মী ছবি বানিয়েছেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাসে ৩০ লাখ মানুষ জীবন দিয়েছেন। আর ৪ লাখ নারী পাকিস্তানি সেনাদের ধর্ষণের শিকার হয়েছেন।





