‘মানব পাচারের’ অভিযোগে দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানসবার্গ বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হয়েছিল ‘মিশন আফ্রিকা’ শুটিং ইউনিটকে। ঐ ইউনিটে থাকা নায়ক রুবেল আটকে রাখার বিষয়টিকে উড়িয়ে দিয়ে বললেন, ‘অমৃতা তিলকে তাল করেছে’।
রুবেল বলেন, ‘আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন আইন অনুযায়ী পৃথিবীর কোন দেশের বিমানবন্দর কাউকে আটকাতে পারে না। তাকে সন্দেহজনক মনে হলে কিংবা অবৈধ কিছু পেলে তাকে ঢুকতে দেওয়া হয় না। তাকে শুধু বলবে তুমি সন্দেহজনক, তোমাকে এন্ট্রি দেওয়া যাবে না’।
কিন্তু অমৃতা তো বলেছে আপনাদের ১৬ ঘন্টা বিমানবন্দর আটকে রাখা হয়েছিল, এমনকি ইমনও এমনটায় বলেছে। ‘না, আমি আবারও বলছি আটকে রাখা হয় নি। যেটা হয়েছে আমাদের ‘হোটেল রিজারভেশন’ নিয়ে সমস্যা ছিল। তাই তারা ঢুকতে দিতে চায় নি। তাই আমাদের দেশে ফিরে আসা ছাড়া কোন উপায় ছিল না। কিন্তু আমরা ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত কোন টিকেট পাচ্ছিলাম না। তাই আমাদের সিকিউরিটির জন্য তারা বিমানবন্দর থেকে বাইরে যেতে দেয় নি। কারণ, আফ্রিকা এখনও অনেক বড় সন্ত্রাসী দেশ।
কিন্তু পরে তারা আমাদেরকে বের হতে দিলে আমরা ফ্রাস্ট সেক্রেটারির বাসায়, নেলসন মেন্ডেলার বাসায় গিয়েছি এবং ফেসবুকেও ছবি দিয়েছি। প্যানিকটা সৃষ্টি করেছে অমৃতা ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে। ও একটা বাচ্চা মেয়ের মত কাজ করেছে।
তবে তিনি স্বীকার করেন তাদের টিমকে নিয়ে ঐখানকার একজন বাংলাদেশী অভিযোগ করেছিল। যার সাথে প্রযোজকের সমস্যা ছিল। না হলে ‘হোটেল রিজারভেশনের’ জন্য কাউকে আটকে দেওয়ার নিয়ম নেই।
কিন্তু তিনি বারবার মানব পাচারের বিষয়টি এড়িয়ে যান। শুধু এতটুকু বলেন, আমাদের সাথে শুটিং ইউনিটের বাইরে আরও কিছু লোককে আমরা ঐখানে যাবার পর দেখেছি। এখন আমার সাথে শিল্পী হিসেবে চুক্তি হয়েছে। আমি শুটিং করতে পারলাম কিনা সেটা আমার জানার বিষয়। সাথে ইউনিটের বাইরে কে কে গেল তা নিয়ে আমার মাথা ঘামানোর কিছু নেই।
জেআই





