হালদা’ ছবিতে আপনি কী চরিত্রে অভিনয় করেছেন? চরিত্রটি নিয়ে এখনই কিছু বলতে চাচ্ছি না। তবে এটি এমন একটি চরিত্র, যে চরিত্রে আগে কখনও দেখা যায়নি আমাকে। ছবিটি ১ ডিসেম্বর মুক্তি পাচ্ছে।

সবাইকে হলে গিয়ে ছবিটি দেখার অনুরোধ করছি। আশা করি সবাই আনন্দ নিয়েই বাসায় ফিরবেন।
এটা তো কিছুটা অফট্র্যাকের ছবি। ঠিক কী কারণে দর্শকরা হলে গিয়ে ছবিটি দেখার আগ্রহ পাবেন? সবচেয়ে বড় তথ্য হচ্ছে এটি তৌকীর আহমেদের ছবি।

তার ছবি মানেই মন ছুঁয়ে যাওয়ার মতো গল্প। যার প্রমাণ সে আগেই দিয়ে এসেছে। কিন্তু সে প্রচারবিমুখ থাকার কারণে তার ছবিগুলো দর্শকদের কাছে ততটা পৌঁছায়নি। হালদাও এ ধরনের একটি গল্প। এতে আমি, মোশাররফ করিম ও তিশা অভিনয় করেছি। মজার বিষয় হচ্ছে এতদিন দর্শকরা পর্দায় আমাদের যে ইমেজে দেখে এসেছেন, এ ছবিতে সেভাবে দেখতে পাবেন না। ছবিটি দেখেই তারা বলবেন এমন জাহিদ হাসান, মোশাররফ ও তিশাকে তো আগে দেখিনি।

 তৌকীর আহমেদ তো আপনার কাছের বন্ধু। বন্ধুর ছবিতে অভিনয় করতে কেমন লেগেছে?
এ ধরনের ছবিতে অভিনয় করতে দারুণ প্রতিকূল পরিবেশের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। আমাদেরও হয়েছে। তবে তৌকীর আমার কাছের বন্ধু। সঙ্গে রয়েছে প্রিয়ভাজন মোশাররফ করিম। কষ্টটাকে আমরা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিয়েছি। আনন্দ দিয়ে ভুলিয়ে রেখেছি। সেটে সবসময় আমরা মজা করেছি। শুধু তৌকীরের ছবি নয়, ওর সঙ্গে সব কাজ করতেই বেশ ভালো লাগে।

আপনি তো একটি মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করেছেন। এ ধরনের কোনো কাজে আবার কবে দেখা যাবে?

সেটি তো ছিল অনুরোধে। আমার প্রিয় শিল্পী প্রয়াত খালিদ হাসান মিলু ভাইয়ের দুই ছেলে সেই গানটি করেছে। তারা আমার পরিবারের সদস্যের মতো। তাদের অনুরোধেই হুট করে গানটিতে পারফর্ম করি। এটা প্ল্যান করে হয় না। হুট করে হয়ে যায়। পরিস্থিতির শিকার হলে করা হতে পারে। আবার নাও হতে পারে।

আপনি তো একটি চ্যানেলে চাকরি করছেন। অভিনয় আর নির্মাণের বাইরে চাকরিতে কতটা সময় দিতে পারছেন?

আমি মূলত অভিনেতা। এরপর নির্মাণে সময় দিচ্ছি। এর বাইরেও এশিয়ান টিভিতে উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছি। এটা কিন্তু আমার কাজের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক। অভিনয় ও পরিবারকে দিয়ে বাইরে যেটুকু সময় পাই সেটি ওখানেই ব্যয় করার চেষ্টা করি। সাম্প্রতিক কাজের খবর কী?

আপনারা তো জানেনই নাটকে চাপ কেমন যায় আমার। তবে কোন কোন নাটকে কাজ করছি এটা জিজ্ঞেস করবেন না। এটা মনে রাখতে পারি না আমি। সম্প্রতি একটি খণ্ড নাটকের শুটিং করেছি।
অনিন্দ্য মামুন ।

এএস