লিওনার্ডো ডিক্যাপ্রিও বরাবরই পরিবেশবান্ধব মানুষ। জলবায়ু নিয়ে প্রামাণ্যচিত্রও প্রযোজনা করেছেন। এমন পরিবেশকর্মীকেই তো শান্তিদূত করা যায়। জাতিসংঘ সেটাই করেছে। এই দায়িত্বের অংশ হিসেবে জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির কাজ করবেন হলিউডের এই তারকা।
জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি-মুন ১৬ সেপ্টেম্বর এ ঘোষণায় বলেছেন, লিওনার্ডো ডিক্যাপ্রিও শুধু বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় অভিনেতাই নন, পরিবেশের প্রতি তার দীর্ঘস্থায়ী দায়িত্ববোধের পরিচয় আমরা পেয়েছি। এমনকি তিনি পরিবেশের কল্যাণে ফাউন্ডেশনও গড়েছেন।
১৯৯৮ সালে গড়ে ওঠে লিওনার্ডো ডিক্যাপ্রিও ফাউন্ডেশন। এর লক্ষ্য পৃথিবীর বন্যপ্রাণীদের অভয়ারন্য টিকিয়ে রাখার জন্য কাজ করা। পাশাপাশি মানুষ ও প্রকৃতির মধ্যে সমন্বয় ঘটানো। সংগঠনটি নেপালে বাঘ রক্ষা, বনের হাতি ও হাঙর-সহ জলজ প্রাণীর কল্যাণে তহবিল সংগ্রহ করেছে।
আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘ শীর্ষসম্মেলনে বক্তব্য রাখবেন ডিক্যাপ্রিও। এখানে জাতিসংঘের সদস্য ১৯৩টি দেশের অনেক নেতা থাকবেন। এর একদিন পরেই বিশ্বনেতাদের নিয়ে জাতিসংঘের বার্ষিক সাধারণ অধিবেশন হবে।
জাতিসংঘের শান্তিদূত হওয়াটাকে সম্মান হিসেবে দেখছেন ডিক্যাপ্রিও। এক বিবৃতিতে ৩৯ বছর বয়সী এই অভিনেতা বলেছেন, মানব ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জলবায়ু নিয়ে কথা বলাটা আমার নৈতিক বোধের মধ্যে পড়ে বলে মনে করছি। আগামী দিনগুলোতে মানবতা এবং পৃথিবীর জন্য হুমকিস্বরূপ জলবায়ু সংকটকে আমরা কীভাবে মোকাবেলা করবো তা নিয়ে এখনই কাজ করার সময়।
এর আগে প্রয়াত অভিনেত্রী অড্রে হেপবার্ন, অভিনেত্রী ও নির্মাতা অ্যাঞ্জেলিনা জোলি, শার্লিজ থেরন, অভিনেতা মাইকেল ডগলাসের মতো তারকারা জাতিসংঘের বিভিন্ন শাখার দূত হিসেবে কাজ করেছেন। এখন জাতিসংঘের ১১ জন শান্তিদূত ও শুভেচ্ছাদূত আছেন।
ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই





