দেশের আন্তর্জাতিক মানের মডেল পিয়া জান্নাতুল। মডেলিংয়ের পাশাপাশি চিত্রনায়িকা হিসেবেও অভিষেক হয়েছে তার। এবার দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় আসর বিপিএলে মাঠ থেকে সরাসরি উপস্থাপনা করছেন তিনি।
ক্রিকেটারদের চার-ছক্কার পাশাপাশি নিজের সাবলীল উপস্থাপনা দিয়ে টিভিদর্শকেও মাতিয়ে রাখছেন তিনি। বিপিএল উপস্থাপনার অভিজ্ঞতা ও তার ব্যস্ততার নানা দিক নিয়ে আজকের ‘হ্যালো...’ বিভাগে কথা বলেছেন তিনি-
বিপিএলের মতো এত বড় আসরের উপস্থাপনা করছেন। কেমন লাগছে?
এটি আমার জন্য একেবারে নতুন অভিজ্ঞতা। চ্যালেঞ্জও ছিল। কিন্তু বরাবরই চ্যালেঞ্জিং কাজগুলো করতে ভালো লাগে। মাঠ থেকে সরাসরি উপস্থাপনা করা দারুণ উপভোগ করছি।
নিজের উপস্থাপনার প্রশংসা পাচ্ছেন কী?
সেটা তো পাচ্ছিই। সহকর্মীরাও প্রশংসা করছেন। আর ফেসবুকে তো দর্শকরা নিয়মিত প্রশংসার ডালি সাজিয়ে পাঠাচ্ছেন। তাদের প্রশংসাতেই সামনে এগোনোর উৎসাহ পাচ্ছি। অনুপ্রাণিত হচ্ছি।
এখন তো বিপিএল নিয়েই ব্যস্ত রয়েছেন। অন্যান্য কাজের কী ক্ষতি হচ্ছে ?
ক্ষতি হবে কেন? যখন বিপিএল উপস্থাপনার বিষয়টি নিশ্চিত হয় তখন থেকেই কাজের শিডিউল পরিবর্তন করে ফেলি। যে কয়দিন বিপিএল থাকবে সে কয়দিন অন্য কোনো কাজ নিয়ে ভাবতে চাই না।
নায়িকা, মডেল এবং উপস্থাপিকা- এ তিনটি পরিচয়ের মধ্যে কোন পরিচয় দিতে আপনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন ?
আমি একজন মিডিয়াকর্মী। এ পরিচয় দিতেই আমি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। তবে মডেলিং দিয়ে আমার যাত্রা শুরু। সব মাধ্যমেই কাজ করতেই আমি আনন্দ পাই। বিশেষ কোনোটির ওপর ভালোলাগা নেই।
কিন্তু চলচ্চিত্রে তো আপনাকে তেমন সাফল্য দেয়নি?
আমি মনে করি, ভালো ছবিতে অভিনয়ের করা এবং সে ছবিটি দর্শকদের কাছে পৌঁছানো ভাগ্যের ব্যাপার। আমার ক্যারিয়ারে ‘চোরাবালি’ ছবির পর ভাগ্য অতটা সুপ্রসন্ন হয়নি। তাছাড়া ‘প্রেম কি বুঝিনি’ ও ‘ছিটমহল’ ছবিতে আমাকে দর্শক একটু ভিন্নভাবে দেখতে পাবেন। শেষ কথা আমি কখনও হাল ছাড়ি না।
দেশ এবং দেশের বইরে মডেলিংয়ের মধ্যে পার্থক্য কেমন?
আমার মনে হয় মডেলিংয়ের জায়গাটা এখনও আমাদের দেশে ততটা বিস্তৃত নয়। আন্তর্জাতিক মডেলিংয়ের ক্ষেত্রে জিনগত, ধর্মীয়, অর্থনৈতিক ও চাহিদার দিক থেকে বিভিন্ন কারণে অনেকটাই আমরা পিছিয়ে। তবুও বাংলাদেশের কিছু মানুষও সরকারের সহযোগিতা ছাড়াই নিজ উদ্যোগে এটাকে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছি।





