এক সৌদি আরব প্রবাসীর কাছ থেকে কোটি টাকা অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার মডেল ও অভিনেত্রী রোমানা স্বর্ণাসহ তিনজনের ৫ দিনের রিমান্ড নাকচ করে দিয়েছেন আদালত।

তবে পুলিশ চাইলে কারাফটকে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে।

শুক্রবার (১২ মার্চ) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বেগম মাহমুদা আক্তার এই আদেশ দেন।

এর আগে আজ দুপুরে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্বর্ণা, তাঁর সহযোগী আশরাফি আক্তার শেলী ও আন্নাফি ইউসুফ ওরফে আনানকে হাজির করে পাঁচ দিন করে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে পুলিশ।
এরপরে তাদের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক রিমান্ডের আবেদন বাতিল করে আসামিদের কারাফটকে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেন।

আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) মনিরুজ্জামান মনির এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে প্রতারণার শিকার জুয়েল সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরে গতকাল (বৃহস্পতিবার) স্বর্ণাসহ তিনজনের নামে দণ্ডবিধির ৪২০/৪০৬ ধারায় মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেন। এরপরে গতকাল বিকেলে রাজধানীর লালমাটিয়ার সি ব্লকের একটি বাসা থেকে রোমানা স্বর্ণাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তাঁর দুই সহযোগী মামলার আসামি আশরাফি আক্তার শেলী ও আন্নাফি ইউসুফ ওরফে আনানকে গ্রেফতার করা হয়।

মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ বলেন, “বাদী জুয়েল ও আসামি স্বর্ণার মধ্যে ফেসবুকে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। জুয়েলের অভিযোগ, সম্পর্ক শুরুর পর থেকে স্বর্ণা বিভিন্ন সময় নানা অজুহাতে তাঁর কাছ থেকে টাকা নিতেন। একপর্যায়ে তাঁরা বিয়েও করেন। বিয়ের পর ফ্ল্যাট কেনার টাকাও নিয়েছেন স্বর্ণা। এভাবে এক কোটি ৭৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা নিয়েছেন বলে বাদীর দাবি। সর্বশেষে জুয়েলকে ডিভোর্স দেওয়ার কথা বলা হয়। এর আগে আবার জুয়েলের আপত্তিকর ছবি তুলে তা নিয়ে ব্ল্যাকমেইলও করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে জুয়েলের দাবি। তারপর তিনি মামলা করেছেন। মামলার পর আমরা স্বর্ণাসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছি।”

এমবি