বলিউড ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যবসাসফল সিনেমা 'পিকে' সিনেমার নির্মাতাকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট।

'ফারিস্তা' উপন্যাস থেকে কাহিনী চুরি করার অভিযোগে বৃহস্পতিবার এ নির্দেশ দেয়া হয়।  

বিচারপতি নাজমি ওয়াজিরি পিকে সিনেমার পরিচালক রাজকুমার হিরানি, চিত্রনাট্যকার বিধু বিনোদ চোপড়া এবং অভিজিৎ জোশিকে আগামী ১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এর জবাব দিতে বলা হয়েছে।

পিকে নির্মাতা পক্ষের ব্যারিস্টার আদালতকে জানান, পিকে সিনেমার স্ক্রিপ্ট সর্বপ্রথম ২০১০ সালে ২৯ জুলাই প্রথা অনুযায়ী রাইটার্স অ্যাসোসিয়েশনে নিবন্ধন করা হয়। সে সময় সেটির নাম ছিল 'ঘর জানা হ্যায়'। পরবর্তীতে পাঁচটি সংশোধনীর পর চূড়ান্তভাবে ২০১২ সালে এটির নাম 'পিকে' দিয়ে নিবন্ধন করা হয়।

অভিযোগকারীর পক্ষের অ্যাডভোকেট জ্যোতিকা কালরার জানিয়েছেন, নির্মাতা এবং চিত্রনাট্য লেখক অভিজিৎ জোশি 'ফারিস্তা' উপন্যাস থেকে কাহিনি, চরিত্র, সিক্যুয়েন্স সব কিছু চুরি করেছেন।

তিনি আরো জানান, 'ফারিস্তা' উপন্যাসটির প্রথম মেনুস্ক্রিপ্টটি জমা দেওয়া হয় ২০০৯ সালের অক্টোবরে। এরপর ২০১৩ সালে এটি প্রকাশিত হয়।

এর আগে ভারতীয় ঔপন্যাসিক কপিল ঈশাপুরি পিকে সিনেমার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছিলেন। তিনি অভিযোগ করেছিলেন তার উপন্যাস 'ফারিস্তা' থেকে কাহিনি চুরি করা হয়েছে এ সিনেমায়। পাশাপাশি এ ঔপন্যাসিক ১ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ এবং গল্পটি যে তার সেটি সিনেমায় উল্লেখ করতে বলেছিলেন।

উল্লেখ্য, 'ফারিস্তা' উপন্যাসটি ২০১৩ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। উপন্যাসটিতেও তথাকথিত ধর্মগুরুদের সমালোচনা করা হয়েছে এবং মানুষের ধর্ম নিয়ে অন্ধ অনুকরণকে দেখানো হয়েছে। যা অনেকটা পিকে সিনেমার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

'পিকে'র বিরুদ্ধে মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতসহ বেশ কয়েকটি মামলা দায়ের হয়েছিল। যদিও আদালত সকল অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছিল।

কেএইচ