সিনেমাপ্রেমীদের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইওর ম্যানসফিল্ডের সাদা ওক গাছটি ‘শশাঙ্ক ওক’ নামে পরিচিত। ইন্টারনেট মুভি ডাটাবেজ বা আইএমডিবির করা সেরা ২৫০টি চলচ্চিত্রের তালিকায় শীর্ষ চলচ্চিত্র ‘দ্য শশাঙ্ক রিডেম্পশনে’ দেখা গিয়েছিল গাছটিকে।
সিনেমার শেষ পর্যায়ে মর্গান ফ্রিম্যান অভিনীত চরিত্র এলিস বয়েড ‘রেড’ রিডিং ঐ গাছটির নিচে ক্লু খুঁজেতে গিয়েছিলেন।
সিনেমার জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে ঐ জায়গাটি পরে পরিণত হয় এক দর্শনীয় স্থানে।
অনেক দর্শনার্থী ঘটা করে যান গাছটি দেখতে। নিচে বা পাশে দাড়িয়ে ছবি তোলেন কেউ কেউ।
কিন্তু কর্তৃপক্ষ বলছে, গাছ উপড়ে গেলেও, এখনো সেখানে যেতে পারবেন ভক্ত দর্শনার্থীরা। সে সুযোগ বন্ধ করা হবে না।
প্রায় পাঁচ বছর আগে ২০১১ সালের জুলাইতেই এক ঝড়ের রাতে বজ্রপাতে দুইভাগে হয়ে গিয়েছিল।
গতরাতে প্রবল বাতাসে উপড়ে গেল শেকরসুদ্ধ।
সিনেমাপ্রেমীদের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইওর ম্যানসফিল্ডের সাদা ওক গাছটি ‘শশাঙ্ক ওক’ নামে পরিচিত।
ইন্টারনেট মুভি ডাটাবেজ বা আইএমডিবির করা সেরা ২৫০টি চলচ্চিত্রের তালিকায় শীর্ষ চলচ্চিত্র ‘দ্য শশাঙ্ক রিডেম্পশনে’ দেখা গিয়েছিল গাছটিকে।
সিনেমার শেষ পর্যায়ে মর্গান ফ্রিম্যান অভিনীত চরিত্র এলিস বয়েড ‘রেড’ রিডিং ঐ গাছটির নিচে ক্লু খুঁজেতে গিয়েছিলেন।
সিনেমার জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে ঐ জায়গাটি পরে পরিণত হয় এক দর্শনীয় স্থানে।
অনেক দর্শনার্থী ঘটা করে যান গাছটি দেখতে। নিচে বা পাশে দাড়িয়ে ছবি তোলেন কেউ কেউ।
কিন্তু কর্তৃপক্ষ বলছে, গাছ উপড়ে গেলেও, এখনো সেখানে যেতে পারবেন ভক্ত দর্শনার্থীরা। সে সুযোগ বন্ধ করা হবে না।
প্রায় পাঁচ বছর আগে ২০১১ সালের জুলাইতেই এক ঝড়ের রাতে বজ্রপাতে দুইভাগে হয়ে গিয়েছিল।
গতরাতে প্রবল বাতাসে উপড়ে গেল শেকরসুদ্ধ।
সিনেমাপ্রেমীদের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইওর ম্যানসফিল্ডের সাদা ওক গাছটি ‘শশাঙ্ক ওক’ নামে পরিচিত।
ইন্টারনেট মুভি ডাটাবেজ বা আইএমডিবির করা সেরা ২৫০টি চলচ্চিত্রের তালিকায় শীর্ষ চলচ্চিত্র ‘দ্য শশাঙ্ক রিডেম্পশনে’ দেখা গিয়েছিল গাছটিকে।
সিনেমার শেষ পর্যায়ে মর্গান ফ্রিম্যান অভিনীত চরিত্র এলিস বয়েড ‘রেড’ রিডিং ঐ গাছটির নিচে ক্লু খুঁজেতে গিয়েছিলেন।
সিনেমার জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে ঐ জায়গাটি পরে পরিণত হয় এক দর্শনীয় স্থানে।
অনেক দর্শনার্থী ঘটা করে যান গাছটি দেখতে। নিচে বা পাশে দাড়িয়ে ছবি তোলেন কেউ কেউ।
কিন্তু কর্তৃপক্ষ বলছে, গাছ উপড়ে গেলেও, এখনো সেখানে যেতে পারবেন ভক্ত দর্শনার্থীরা। সে সুযোগ বন্ধ করা হবে না।
প্রায় পাঁচ বছর আগে ২০১১ সালের জুলাইতেই এক ঝড়ের রাতে বজ্রপাতে দুইভাগে হয়ে গিয়েছিল।
গতরাতে প্রবল বাতাসে উপড়ে গেল শেকরসুদ্ধ।
সিনেমাপ্রেমীদের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইওর ম্যানসফিল্ডের সাদা ওক গাছটি ‘শশাঙ্ক ওক’ নামে পরিচিত।
ইন্টারনেট মুভি ডাটাবেজ বা আইএমডিবির করা সেরা ২৫০টি চলচ্চিত্রের তালিকায় শীর্ষ চলচ্চিত্র ‘দ্য শশাঙ্ক রিডেম্পশনে’ দেখা গিয়েছিল গাছটিকে।
সিনেমার শেষ পর্যায়ে মর্গান ফ্রিম্যান অভিনীত চরিত্র এলিস বয়েড ‘রেড’ রিডিং ঐ গাছটির নিচে ক্লু খুঁজেতে গিয়েছিলেন।
সিনেমার জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে ঐ জায়গাটি পরে পরিণত হয় এক দর্শনীয় স্থানে।
অনেক দর্শনার্থী ঘটা করে যান গাছটি দেখতে। নিচে বা পাশে দাড়িয়ে ছবি তোলেন কেউ কেউ।
কিন্তু কর্তৃপক্ষ বলছে, গাছ উপড়ে গেলেও, এখনো সেখানে যেতে পারবেন ভক্ত দর্শনার্থীরা। সে সুযোগ বন্ধ করা হবে না।প্রায় পাঁচ বছর আগে ২০১১ সালের জুলাইতেই এক ঝড়ের রাতে বজ্রপাতে দুইভাগে হয়ে গিয়েছিল।গতরাতে প্রবল বাতাসে উপড়ে গেল শেকরসুদ্ধ।
এমবিএইচ





