শাকিব-অপু জুটির ক্যারিয়ারের সেরা পরিচালক এফ আই মানিক। এই পরিচালকেরই পরিচালনায় ২০০৬ সালে ‘চাচ্চু’, ‘কোটি টাকার কাবিন’, ‘পিতার আসন’ ও ‘দাদীমা’ ছবিতে অভিনয় করে জুটি হিসেবে প্রতিষ্ঠা পান সেই সময়ের উঠতি নায়ক শাকিব খান ও নবাগতা অপু বিশ্বাস।
পরবর্তীতে এই পরিচালকের পরিচালনায় অনেকগুলো ছবিতে তারা অভিনয় করেন। যার মধ্যে ‘আমাদের ছোট সাহেব’ ও ‘যদি বউ সাজোগো’ উল্লেখযোগ্য।
এফ আই মানিক ইদানিং এই জুটির সাথে বেশি কাজ করেননি। তবে শাকিবের সঙ্গে কাজ করেছেন। পূর্ণিমার বিপরীতে শাকিবকে নিয়ে তিনি বানিয়েছেন ‘বিয়ের প্রস্তাব’ এবং ‘জজ ব্যারিষ্টার পুলিশ কমিশনার’। শাকিব-অপুকে নিয়ে ওই ছবির পরপরই শুরু করেন ‘দুই পৃথিবী’। ছবির শুটিং বিলম্বিত হয় চার বছর। সাধারণত এ ধরনের ছবি মুক্তি পেলে খুব কমই সাফল্য পায়। দীর্ঘসূত্রিতার কারণে ছবির প্রতি দর্শক আগ্রহ হারিয়ে ফেলে।
‘দুই পৃথিবী’ মুক্তি পেলো এমন একটি সময়ে যে সময়টা বিগ বাজেটের ছবির জন্য খুব ভাল সময় নয়। রমজানের দু সপ্তাহের কম বাকি থাকতে ছবি রিলিজ যেকোনো প্রযোজকের জন্যই আত্মঘাতী। কিন্তু সন্ধানী কথাচিত্র তড়িঘড়ি শুটিং শেষ করে আচমকার মুক্তির জন্য ৫ জুনকে বেছে নেয়।
যেখানে শাকিব খানের নির্মাতারা ঈদের ছবির প্রস্তুতি নিচ্ছেন, সেখানে এফ আই মানিক আদালত থেকে রিলিজ ডেট নিয়ে ৫ জুন ছবি মুক্তি দেন। বক্স অফিসে এর কেমন প্রভাব পড়লো চলুন জেনে নেই। ‘ঈরো আগে ঈদের ছবি’- প্রযোজনা সংস্থার এমন প্রচারণায় কতটা আকৃষ্ট হলেন দর্শক, চলুন জেনে নেয়া যাক।
মুক্তির দিন শুক্রবার দেশের বিভিন্ন স্থানের ১০ টি প্রেক্ষাগৃহকে ‘টেষ্ট কেস’ হিসেবে ধরা যাক। সেদিন জয়দেবপুরের বর্ষা প্রেক্ষাগৃহে ‘দৃই পৃথিবী’ আয় করেছে ৭৫ হাজার টাকা। ঢাকার মধূমিতা প্রেক্ষাগৃহে ব্যবসা করেছে ১ লাখ টাকা। যশোরের মণিহার প্রেক্ষাগৃহে আয় করেছে ৫৬ হাজার টাকা। ঢাকার সনি প্রেক্ষাগৃহে ব্যবসা করেছে ৬৭ হাজার টাকা। ঢাকার পুনম প্রেক্ষাগৃহে শুক্রবার ছবিটি আয় করেছে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা।
ঢাকার বাইরে রাজশাহীর উপহার প্রেক্ষাগৃহে ছবিটি ব্যবসা করেছে ৪০ হাজার টাকা। বরিশালের অভিরুচিতে আয় হয়েছে ৩৩ হাজার টাকা। নারায়ণগঞ্জের নিউ মেট্রো প্রেক্ষাগৃহে ‘দুই পৃথিবী’ আয় করেছে ৯৮ হাজার টাকা। জিনজিরার নিউ গুলশানে শুক্রবার ছবিটি ব্যবসা করেছে ৭৫ হাজার টাকা। টঙ্গীর চম্পাকালি প্রেক্ষাগৃহে ‘দুই পৃথিবী’ আয় করেছে ১ লাখ ৫ হাজার টাকা।
ইআর





