বাবার হাত ধরে মিডিয়ায় পা রাখেন ১৯৮৮ সালে। তারপর নানা চড়াই উৎরাই শেষে গুণী অভিনেত্রীদের কাতারে উঠে এসেছে তাঁর নাম। তিনি বিজরী বরকতুল্লাহ। প্রথম অভিনয় করেছিলেন মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ পরিচালিত সুখের ছাড়পত্র নামের একটি নাটকে।
তারপর দীর্ঘ বিরতি দিয়ে অভিনয় করলেন কোথাও কেউ নেই ধারাবাহিক নাটকে। এই নাটকটির মাধ্যমেই দর্শকমহলে পরিচিত হয়ে উঠলেন বিজরী। তারপর অসংখ্য জনপ্রিয় নাটকে অভিনয় করে জয় করলেন দর্শকের মন।
১৯৯৫ সালের ১৫ জুলাই ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন শওকত আলী ইমনকে। সঙ্গীত পরিচালক এই স্বামীর ঘরে বিজরীর একটি সন্তানও আছে। নাম উর্বানা। কিন্তু জীবনের নানা টানা পোড়নে দীর্ঘ ১৭ বছরের সংসার জীবনেরও ইতি টানতে হয় তাঁকে। ২০১২ সালে আনুষ্ঠানিক বিচ্ছেদ হয় এই তারকা দম্পতির।
এরপর কিছুদিন একাকী। কিন্তু আবারও প্রেমে পড়লেন বিজরী। ২০১৩ সালের ১৪ই এপ্রিল ভালোবেসে বিয়ে করলেন সহ অভিনেতা ইন্তেখাব দিনারকে।
জানতে চাইলাম কেমন চলছে নতুন সংসার? হেসে জবাব দিলেন বিজরী। বললেন সবার দোয়ায় ভালোই চলছে আমাদের সংসার। বলতে পারেন আমরা সত্যিই সুখী।
সামনে ঈদ ব্যস্ততা একটু বেশি। সিঙ্গেল ধারাবাহিক মিলিয়ে বেশ কিছু কাজ করছেন বিজরী।
দীর্ঘ অভিনয় জীবনে অসংখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। তারপরও নিজের পছন্দের কিছু চরিত্র থাকে। সে বিষয়েই জানতে চাইলাম বিজরীর কাছে। বললেন, অনেক চরিত্রই আমার ভালো লাগে। তবে মানসিক দ্বন্দ্ব নিয়ে যে ধরনের চরিত্র গড়ে ওঠে সে ধরনের চরিত্রই আমার বেশি ভালো লাগে।
অভিনয়ের বাইরেও অনেকের অনেক কিছু হওয়ার স্বপ্ন থাকে। কিন্তু বিজরীর তেমন কোনো স্বপ্নের সন্ধান পাওয়া গেল না। বললেন,অভিনেত্রী না হলে আসলে কি হতাম তা বলতে পারছি না। তবে মনে হয় অভিনেত্রীই হতাম (হাসি)।
এবার জানতে চাইলাম তারকা বনে যাওয়ার পরের অনুভূতি কেমন ছিলো আপনার? বললেন, কখনোই এ ধরনের অনুভূতি হয় নি। যেটা ভালো লেগেছে সেটাই করেছি। সেটা করতে গিয়ে বাড়তি পাওনার বিষয় নিয়ে কখনো ভাবিনি।
[b]ঢাকা, ২৯ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই[/b]