জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত নায়িকা সিমলা এই মুহুর্তে চলচ্চিত্রে কাজ করার চেয়ে পরিবারের প্রতি একটু বেশি মনোযোগী হয়ে উঠেছেন।  বিশেষ করে তার মা নূরুন্নাহার জোছনাকেই তিনি এখন সময় দিচ্ছেন বেশি। সিমলার বাবা মিয়া আব্দুল মাজেদ ইন্তেকাল করেছেন ২০০৪ সাল থেকে। আর এরপর থেকেই যেন তার মা একা হয়ে পড়েন। মায়ের একাকীত্বকে বুঝতেও যেন সিমলার একটু সময় লেগে যায়।
সিমলার মা এখন ডায়াবেটিকস-এর সমস্যাসহ বয়স্কজনিত আরও নানান রোগে আক্রান্ত। বয়স হয়েছে তার ৭৫। যে কারণে সিমলা এখন নিজের ক্যারিয়ারের কথা না ভেবে তার মাকেই সময় দিচ্ছেন একটু বেশি।
সিমলা বলেন , আমরা এগারো ভাই বোন। যে ভাই (হাসান) আমাকে চলচ্চিত্রে এনেছিলেন তিনিও আজ আমাদের মাঝে নেই। মা অসুস্থ, তার মন খারাপ থাকে। তাই এখন বলা যায় পুরো সময়টা মাকেই দেয়ার চেষ্টা করছি। তার কখন কী লাগবে না লাগবে তাই দেখছি। আর সেবা, মাকে সেবা করার মতো এতো সুখ এই পৃথিবীতে আর কিছুতে নেই। সবাই আমার মায়ের জন্য দোয়া করবেন যেন তিনি সুস্থ থাকেন ভালো থাকেন।
সিমলার পুরো নাম শামসুন্নাহার সিমলা, তার মায়ের নামের সাথে তার বোনদের মধ্যে শুধু তারই নামের মিল রয়েছে। এদিকে সিমলা অভিনীত 'নেকাব্বরের মহাপ্রয়াণ' ছবিটি রয়েছে মুক্তির অপেক্ষায়। তবে অনিমেষ আইচ পরিচালিত না মানুষ ছবির ভবিষ্যত অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। হয়তো আর কোনদিনই ছবিটি আলোর মুখ দেখবেনা।
শহীদুল ইসলাম খোকন পরিচালিত 'ম্যাডাম ফুলি' ছবিতে অভিনয় করেই জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছিলেন সিমলা। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত ৩৫ টির অধিক ভালো ভালো ছবিতে কাজ করে পেয়েছেন দর্শকের অপরিসীম ভালোবাসা। এদিকে দীপক স্যানাল পরিচালিত ওপার বাংলার ছবি 'সমাধি'ও রয়েছে মুক্তির অপেক্ষায়। হাতে রয়েছে বেশ কয়েকটি ভালো ভালো ছবি ও বিজ্ঞাপনে কাজ করার প্রস্তাব।
তবে আপাতত মাকে নিয়েই ব্যস্ত সিমলা। তাই আপাতত নো মুভি নো টিভিসি।
[b]ঢাকা, ১ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই[/b]