ঢাকায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সঙ্গীত ও নৃত্যকলা মিলনায়তনে শনিবার থেকে শুরু হয়েছে ৪ দিনের ইরানি চলচ্চিত্র প্রদর্শনী। চলবে ৬ নভেম্বর পর্যন্ত।
দ্বিতীয় দফায় ঢাকার বাইরে ৫ দিনের প্রদর্শনী চলবে আগামী ৯ থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগীয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে এ প্রদর্শনী।
ঢাকাস্থ ইরান সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির যৌথ উদ্যোগে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।
শনিবার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সঙ্গীত ও নৃত্যকলা মিলনায়তনে ঢাকায় ৪ দিনব্যাপী ইরানি চলচ্চিত্র প্রদর্শনী উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর মিডিয়া বিষয়ক উপদেষ্টা জনাব ইকবাল সোবহান চৌধুরী চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন।
বাংলাদেশে শিল্পকলা একাডেমির নাট্য ও চলচ্চিত্র বিজ্ঞান বিভাগের পরিচালক মো. বদরুল আনাম ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকাস্থ ইরান দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স জনাব এবরাহীম শাফেয়ী রেযভানী নেযাদ ও প্রখ্যাত অভিনেত্রী ও নাট্য পরিচালক লাকি এনাম।
স্বাগত বক্তব্য উপস্থাপন করেন ইরান সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কালচারাল কাউন্সেলর ড. সাইয়্যেদ মাহদী হোসেইনী ফায়েক।
বক্তাগণ বলেন, নির্মাণ কৌশল, অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও গুণগত মানের দিক থেকে ইরানের চলচ্চিত্র শিল্প চোখ ধাঁধানো পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছে। দেশটির শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সামাজিক উন্নয়নের একই সাথে উন্নয়ন হয়েছে দেশটির চলচ্চিত্র শিল্পের।
বর্তমানে বিশ্ব চলচ্চিত্র অঙ্গনে ইরানি চলচ্চিত্রের বিশেষ পরিচিতি রয়েছে। মানবতা, ন্যায়বিচার, স্বাধীনতা এবং মানুষের প্রকৃতির বিশুদ্ধতার বার্তা সরবরাহের কারণেই ইরানি চলচ্চিত্র আজ বিভিন্ন দেশ, জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র সকলের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে।
বক্তাগণ আরো বলেন, বিশ্বের চলচ্চিত্র অঙ্গনের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার অস্কার থেকে শুরু করে বিশ্বের প্রায় সব আন্তর্জাতিক উৎসব থেকে পুরস্কার লাভের নজির তৈরি করেছে ইরানের চলচ্চিত্র শিল্পের যা দেশটির চলচ্চিত্র শিল্পি, পরিচালক, প্রযোজক ও কলকুশলিদের সফলতারই দৃষ্টান্ত।
উদ্বোধনীদিনেদেখানোহয়ইংরেজিসাব-টাইটেলযুক্তচলচ্চিত্র ‘সোফার, সোক্লোজ’।
কেবি





