ফুসফুসে ক্যান্সার নিয়ে ব্যাংককের একটি হাসপাতালে শুয়ে আছেন গায়ক, সুরস্রষ্টা ও মুক্তিযোদ্ধা লাকী আখান্দ। তার শারীরিক অবস্থা অবনতির দিকে।
পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, সহসা রোগমুক্তি হচ্ছে না তার। চিকিৎসকরা আশার বাণী শোনাতে পারছেন না। লাকীর ক্যান্সার এখন চতুর্থ পর্যায়ে রয়েছে। কেমোথেরাপিতে তেমন সাড়া মিলছে না।
ব্যাংককের পায়থাই হাসপাতালে এ সঙ্গীতজ্ঞের চিকিৎসা শুরু হয় ১১ সেপ্টেম্বর। হাসপাতালে লাকীর সঙ্গে আছেন মেয়ে মাম্মিন্তি।
লাকীর ভাতিজা দীপ সোমবার দুপুরে কথা বলেছেন মাম্মিন্তির সঙ্গে। দীপ জানান, কেমোথেরাপি শুরু হলেও লাকীর অবস্থার তেমন উন্নতি হয়নি। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার ক্যান্সার পিণ্ডটি বড় হয়ে যাওয়ায় অপারেশনের মাধ্যমে অপসারণ করাও সম্ভব নয়। এ দিকে ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়েছে সারা শরীরে। তাই লাকীর সুস্থতা নিয়ে দুশ্চিন্তা রয়েই যাচ্ছে। এ অবস্থায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছে লাকীর পরিবার।
রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে ১ সেপ্টেম্বর ভর্তি করা হয়েছিল লাকীকে। সপ্তাহখানেক পর তার ফুসফুসে ক্যান্সার ধরা পড়ে।
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী লাকী আখন্দ্। অসংখ্য কালজয়ী গানের সুর তৈরি করেছেন, গেয়েছেনও। উল্লেখযোগ্য হল—‘আমায় ডেকো না’, ‘এই নীল মনিহার’, ‘কবিতা পড়ার প্রহর এসেছে’, ‘যেখানে সীমান্ত তোমার’, ‘মা মনিয়া’, ‘লিখতে পারিনা কোনো গান’, ‘ভালোবেসে চলে যেওনা’, ‘বিতৃঞ্চা জীবনে আমার’, ‘কি করে বললে তুমি’, ‘এত দূরে যে চলে গেছ’ প্রভৃতি।
জেআই





