এপার-ওপারের দুই বাংলার প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তী ঘুরে গেলেন তার পৈতৃক ভিটায়। ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার নিভৃত পল্লী চেঁচরী রামপুর ইউনিয়নের উত্তর চেঁচরী গ্রাম হলো নচিকেতা চক্রবর্ত্তীর পৈত্রিক ভিটা। এখানেই তার শেকড়।

কেবল প্রানের টানে, বড় মায়ার টানে নিরবে নিভৃতে জন্মভিটায় ঘুরতে এসেছিলেন তিনি। এসময় তিনি সবার সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

সোমবার দুপুরে হেলিকপ্টারযোগে প্রথমে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলা সদরে আসেন নন্দিত এ সংগীতশিল্পী। এরপর প্রাইভেটকার যোগে বেলা দুইটার দিকে পৈতৃক নিবাসে আসেন জীবনমুখী গানের এ শিল্পী। নচিকেতার আগমনের খবর ছড়িয়ে পড়লে কয়েক হাজার মানুষ তাকে একনজর দেখতে জড়ো হয়।

'সাতচল্লিশে দেশভাগের আগেই দেশ ছেড়ে যায় নচিকেতার পরিবার। তাদের ফেলে যাওয়া শূন্য ভিটায় মরিয়ম বেগম নামে এক মহিলা বসবাস করছেন। সেই জীর্ণ কুটিরে অবনত মস্তকে ১০ মিনিট নীরবে বসে থাকেন কন্ঠশিল্পী নচিকেতা। এসময় অশ্রুসজল হয়ে ওঠেন তিনি। তার চোখে জল দেখে উপস্থিত অনেকেই অশ্রু ভারাক্রান্ত হয়ে পড়েন।

কণ্ঠশিল্পী নচিকেতা বলেন, ১৯৪৫-৪৬ সালের দিকে আমার দাদু ললিত মোহন চক্রবর্তী ভারতে চলে যান। এত বছর সেদেশে বসবাস করছি। বহুদিনের আশা এই ভিটিতে আসার। আজ সে আশা পূরণ হলো।

জেআই