জন্ম সূর্যোদয়ের দেশে হলেও সেই মায়া ছেড়ে এই বঙ্গদেশেই বেঁধেছেন ঘর, হয়ে উঠেছেন পুরোদস্তুর বাঙালী। কথাতো বটেই গানও গাইছেন বাংলা ভাষাতে।
শুধু তাই নয় রঙিন মলাটের অন্দরমহলে যে আবেগ-অনুভূতির খেরোখাতা সেই সাদা পৃষ্ঠা জুড়ে লিখছেনও বাংলায়। বলছি 'সুন্সকে মিজুতানি' ও 'মায়ে ওয়াতা-নাবের' কথা। সম্প্রতি ক্যামেরায় গান-আড্ডায় মেতেছিলেন তারা।
সুনসকে মিজুতানি ও মায়ে ওয়াতানাবে নাগরিকত্বে জাপানিজ হলেও কণ্ঠে তাদের বাংলা গান।
বাংলার মাটিতেই পার করেছেন এক যুগেরও বেশি সময়। ঘুরে বেরিয়েছেন জেলা থেকে উপজেলায়, মুগ্ধ হয়েছেন বাংলাতেই।
তাদের বাংলা ভাষার কথোপকথোনে অবাক হবেন যে কেউ। শুধু প্রয়োজনে নয় ভালোবেসেই শিখেছেন বাংলা।
দুই জনেরই পছন্দের তালিকায় শীর্ষ রয়েছে লালন সংগীত। তবুও যে কোনো ঘরানার বাংলা গানেই ভালোবাসা অনুভব করেন সুনসকে ও মায়ে।
টোকিও অলিম্পিক ২০২০ উপলক্ষে বাংলাদেশের হয়ে প্রচারণামূলক গানে কণ্ঠ দিয়েছেন তারা। যার শিরোনাম আকাশে। জানিয়েছেন সেই অভিজ্ঞাতার গল্প।
আড্ডা জুড়েই ছিলো তাদের বাংলাদেশের প্রতি ভালোবাসা আর মুগ্ধতার খুটিনাটি। এ মাটির সোদা গন্ধে প্রকৃতির বিশালতায় হারাতে চান দূর থেকে বহু দূরে কাটাতে চান বাকিটা জীবন।
এএস





