বাংলাদেশ চলচ্চিত্রের অভিনেতা, নির্মাতা ও গীতিকার আমজাদ হোসেনকে শেষবারের মত দেখার জন্য মানুষের ব্যাপক ভিড় দেখা যায় এফডিসিতে ।
আমজাদ হোসেনের জীবনের শেষের সময়টা কাটিয়েছেন চলচ্চিত্রপাড়া এফডিসিতেই ।বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতিতেই বেশির ভাগ সময় কাটাতে দেখা যেতো তাকে। এফডিসির প্রতিটি কোনায় কোনায় স্মৃতি ঝাপ্টে রয়েছে এ কিংবদন্তির।
শরীর ভালো থাকলে প্রায় প্রতিদিনই এফডিসিতে আসার চেষ্টা করতেন তিনি। আসলেন আজকেও। তবে সেটা অন্যসব দিনের মতো স্বাভাবিক আসা নয়।নিথর দেহে এলেন চিরবিদায় নিতে!
এই প্রাণহীন আমজাদ হোসেনকে দেখতে চিত্রপাড়া আজ লোকারণ্য। সবার চোখে মুখেই প্রিয়জন হারানোর বিষণ্নতা আর বেদনার ছাপ। আজকের পর আর হয়তো প্রিয় স্থানে দেখা যাবে আমজাদ হোসেনকে। পরিচালক সমিতির সামনে আড্ডায় সরব দেখা যাবেনা আর! নিজের বর্ণিল জীবনের অভিজ্ঞতার গল্প শোনা হবে না আর!
আজ আমজাদ হোসেনকে শেষ বিদায় জানাতে এফডিসিতে মানুষের ঢল নেমেছে। সকাল সোয়া ১১টা থেকে শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে আমজাদ হোসেনের মরদেহ সোয়া ১টায় দিকে আনা হয় এফডিসিতে।
মরদেহ এখানে আসবে শুনে সকাল থেকে সাধারণ মানুষ ভিড় করতে থাকে এফডিসির গেটে। লাশ নিয়ে যাওয়ার পর এফডিসিতে হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির তৈরী হয়। কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন দীর্ঘদিনের সতীর্থরা।
গুণী এই মানুষকে শেষবারের মতো দেখতে জনতার ঢলের মধ্যেও অশ্রুসজল চোখে দেখা গেছে চিত্রনায়ক আলমগীর, ফারুক, ববিতা, ইলিয়াস কাঞ্চন, চম্পা, সুচরিতা, এটিএম শামসুজ্জামানদের মতো গুণী অভিনেতাদের।
মান্না ডিজিটাল স্টুডিওর সামনে রাখা হয়েছে আমজাদ হোসেনের মরদেহ। যেখানে আরো উপস্থিত হন এফডিসির এমডি, নির্মাতা গুলজার আহমেদ,সোহানুর রহমান সোহান, বদিউল আলম খোকন, পূর্ণিমা, চিত্রনায়ক রিয়াজ, জায়েদ খান, সাইমন ও আরিফিন শুভ সহ এফডিসি কেন্দ্রীক বিভিন্ন সংগঠনের নেতা নেত্রীরা।
মুহিব





