২০ বছর আগে ভারতের রাজস্থানে ২টি কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলায় ৫ বছরের জেল দেয়া হয়েছে বলিউডের সুপারস্টার সালমান খানকে।
২০ বছর আগের মামলায় তাকে আজ(বৃহস্পতিবার) দোষী সাব্যস্ত করে যোধপুরের আদালত রায় ঘোষণা করে। চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দেব কুমার খত্রী এ রায় প্রদান করেন।
এর আগে ভারতের ইন্ডিয়া ডটকম’সহ শীর্ষ কয়েকটি গণমাধ্যম সালমানের ২ বছরের সাজা হয়েছে মর্মে খবর প্রকাশ করে।
একই মামলায় অন্য ৪ অভিযুক্ত ছিলেন- সাইফ আলি খান, টাবু, নীলম এবং সোনালি বেন্দ্রে। তাদের বেকসুর ঘোষণা করেছেন আদালত।
সালমান খানের আইনজীবী এইচ এম সারস্বতের দাবি ছিল, সরকারি কৌঁসুলি অভিযোগের স্বপক্ষে প্রমাণ সংগ্রহ করতেই পারেননি। মামলা সাজাতে ভুয়া সাক্ষী দাঁড় করিয়েছেন। এমনকী, বন্দুকের গুলিতেই যে হরিণ দু’টির মৃত্যু হয়েছিল, তাও সরকারি কৌঁসুলি প্রমাণ করতে পারেননি বলে দাবি করেছেন সারস্বত।
২৮ মার্চ নিম্ন আদালতে কৃষ্ণসার হরিণ শিকার মামলার চূড়ান্ত পর্যায়ের শুনানি শেষ হয়।
অন্যদিকে প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ১৯৯৮ সালের ১ এবং ২ অক্টোবর যোধপুরে ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’সিনেমার শুটিংয়ের মাঝে আলাদা আলাদা জায়গায় দু’টি কৃষ্ণসার হরিণ শিকার করেছিলেন সালমান খান। সেই সময় তার সঙ্গে ছিলেন সাইফ আলি খান, নীলম, টাবু এবং সোনালি বেন্দ্রে।
রাজস্থানের কঙ্কানি এলাকায় গ্রামবাসীদের অভিযোগ, গুলির শব্দ শুনে তারা সালমানদের জিপসি গাড়িটিকে ধাওয়া করেছিলেন। কিন্তু তাদের ধরা যায়নি। সেই সময় চালকের আসনে ছিলেন স্বয়ং সালমান। প্রবল গতিতে গাড়ি ছুটিয়ে তারা পালিয়ে যান বলে দাবি করেন গ্রামবাসীরা।
উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে এই মামলায় কয়েকদিন যোধপুর কারাগারে ছিলেন সালমান খান। পরে জামিনে মুক্ত হন তিনি। এরপর ২০১৭ সালে যখন এই মামলার রায় দেওয়া হয় তখন নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছিলেন সালমান। কিন্তু এই রায়ের ওপর আবারও আপিল করা হয়।
এদিকে এই মুহূর্তে সালমানের উপর ১ হাজার কোটি রুপিরও বেশি লগ্নি রয়েছে। তার সাজা হওয়ায় অনিশ্চিত হয়ে পড়ল এই ছবিগুলির ভবিষ্যৎ। (টাইমস অব ইন্ডিয়া, এনডিটিভি)
এমবি





