সোনম কাপুর, দীপিকা পাড়ুকোন ও আলিয়া ভাটবলিউডের ছবিগুলো নায়ক নির্ভরশীল—এ কথার দিন বোধ হয় শেষ হতে চলেছে। বি-টাউনে নায়িকানির্ভর ছবি তৈরির প্রবণতা ও তাঁদের পারিশ্রমিক বৃদ্ধির কারণেই এমনটা ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা ।
এমনকি বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় আলোচনার মূল কেন্দ্রে থাকছেন বলিউড অভিনেত্রীরা। ছবিতে মূল চরিত্রও করছেন তাঁরা। নারীকেন্দ্রিক ছবিগুলোতে নিজেদের অভিনয় যোগ্যতা দিয়ে ছিনিয়ে নিচ্ছেন পুরস্কার।
সম্প্রতি দীপিকা পাড়ুকোনের ‘পদ্মাবতী’ সিনেমাতে ১২ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নিয়ে বেশ আলোচনা হয়। তা ছাড়া দীপিকা, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, নার্গিস ফাখরিদের হলিউডে অভিনয়ও বলিউডে তাঁদের যোগ্যতার মাপকাঠি হিসেবে গোনা হচ্ছে।
এ বছরের প্রথম দিকে সোনম কাপুর অভিনীত নারীকেন্দ্রিক ছবি ‘নিরজা’ মুক্তি পায়। এখন তিনি প্রস্তুতি নিচ্ছেন ‘ভির-দি ওয়েডিং’ সিনেমার জন্য। সেখানে তাঁর সঙ্গে আরও অভিনয় করবেন কারিনা কাপুর, স্বরা ভাস্কর ও শিখা তালসানিয়া। এদিকে সোনাক্ষী সিনহা তাঁর অ্যাকশন ছবি ‘আকিরা’ নিয়ে প্রস্তুত। আলিয়া ভাটকে দেখা যাবে শাহরুখ খানের সঙ্গে ‘ডিয়ার জিন্দেগি’ ছবিতে। আলিয়াকে ছবিতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে দেখা যাবে। পাশাপাশি কঙ্গনা রনৌতকে দেখা যাবে নারীকেন্দ্রিক ছবি ‘সিমরান ও রানি লক্ষ্মীবাই’ চলচ্চিত্রে।
আলিয়া মনে করেন, বি-টাউনে অভিনেত্রীদের জন্য এটা একটি দারুণ সময়। তিনি বলেন, ‘এখন ছবিতে চরিত্রকে অনেক বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। শুধু প্রেমকাহিনি সর্বস্ব ছবি হচ্ছে না। এটা আগে কেউ কল্পনা করতে পারেনি যে, গৌরী শিন্ডের ছবিতে শাহরুখের সঙ্গে আমি কাজ করব। কিন্তু এটাই বিষয়, গল্পটা আমাদের একসঙ্গে যুক্ত করেছে।’
বলিউড বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই পরিবর্তন শুরু হয়েছে বিদ্যা বালান অভিনীত ‘দ্য ডার্টি পিকচার’ ও ‘কাহানি’ ছবির মাধ্যমে। গত বছরে মুক্তি পাওয়া ‘কুইন’, ‘পিকু’ ও ‘তানু ওয়েডস মানু রিটার্নস’ এই ধারাকে আরও গতিময় করেছে। আর গত বছরে ‘অ্যাংরি ইন্ডিয়ান গডেজ’ ছবিতে সব চরিত্রই ছিল নারী, যা বেশ আলোচনায় আসে।
বিশেষজ্ঞ তরন আদর্শ বলেন, ‘কেউ এখন এটা চিন্তা করছে না যে, এটা নারীকেন্দ্রিক ছবি, তাই দেখতে যাব না। যদি ভালো ছবি হয় তাহলে সাফল্য পাবে। আমরা “কুইন”, “পিকু”, ও “কাহানি”র উদাহরণ দিতে পারি।’
পরিচালক সাব্বির খান বলেন, ‘আজকে মেয়েরা সবক্ষেত্রে পুরুষের তৈরি গৎবাঁধা ধারণাগুলোকে ভেঙে দিয়েছে।
এসএ/ সুত্র -হিন্দুস্তান টাইমস।





