ছিলেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। চলচ্চিত্র নায়িকা হওয়ার স্বপ্নে  শিক্ষকতা ছেড়ে চলে এলেন মিডিয়ায়। পরিবারের সাথে একরকম যুদ্ধ করেই মিডিয়ায় আসতে হয়েছে অঞ্জলিকে।                    
অঞ্জলির জন্ম সাতক্ষিরা জেলায়। শৈশব কৈশোর আর পড়ালেখা সবই সাতক্ষিরায়। বাবা খুলনা বিএল কলেজের প্রিন্সিপাল আর মা গৃহিনী। ৩ বোন এক ভাইয়ের সংসারে সবার ছোট অঞ্জলি।
বাবা মা কখনোই চাননি মেয়ে নাচ গান করুক। স্কুল বা কলেজের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে চুপি চুপি পারফর্ম করে বাসায় ফিরলে জুটত বকাঝোকা। কখনো মারধোরও। কিন্তু যার চোখেমুখে নায়িকা হওয়ার স্বপ্ন তাকে থামায় কে?
আর তাই তো স্কুলের চাকরি ছেড়ে বাবা মার সংসার ছেড়ে মিডিয়ার টানে পাড়ি জমান ঢাকায়। আত্মীয় বাড়িতে থেকেই শুরু করেন স্বপ্ন পূরণের সংগ্রাম।
২০১২ সালে প্রথম সুযোগ পান নাটকে । অভিনয় করেন দীপু হাজরার ছবির দেশে কাবিতার দেশে নাটকে। এরপর আরো কিছু গুনী পরিচালকের নাটকে কাজ করেন অঞ্জলি। ২০১৩ সালে সুযোগ পেয়ে যান সিনেমায়। অভিনয় করেন 'রূপ গাওয়াল' ছবিতে। চরিত্র ছোট হলেও খুশি ছিলেন অঞ্জলি।
এরপর একে একে হাতে আসে আরো পাঁচটি ছবি। চরিত্র ছোট হলেও আপত্তি নেই অঞ্জলির। অঞ্জলি মনে করেন ছোট ছোট কাজ করতে করতেই একদিন বড় কিছু হবে।
অঞ্জলি বলেন, সিনেমায় কাজ করার ক্ষেত্রে আমি পরিচালক আবুল কালাম আজাদের কাছে ঋণী। তিনিই আমাকে হাতে কলমে অভিনয় শিখিয়েছেন। চলচ্চিত্রে আমার কোনো গুরু থাকলে তিনি আবুল কালাম আজাদ।
সফল হওয়ার পর অঞ্জলি দুটো স্বপ্ন পূরণ করতে চান। ভ্রমণ পিয়াসু অঞ্জলি প্রথমে ঘুরে দেখতে চান পুরো পৃথিবী আর দ্বিতীয়ত এফডিসির দুস্থ্য কর্মীদের জন্য কিছু একটা করতে চান, যা তাদেরকে ভালোভাবে বাঁচতে সহায়তা করবে।
[b]ঢাকা, ২৩ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই[/b]