নতুন করে মোড় নিতে যাচ্ছে ভারতের একসমযের আলোচিত অভিনেত্রী জিয়া খানের আত্মহত্যা। জিয়া খানকে হত্যা করা হয়েছিল। রিপোর্ট ব্রিটিশ ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞ জাসন পায়নি জেমসের। তাঁর কথায়, মুখে এবং ঘাড়ে যে ক্ষত চিহ্ন জিয়ার দেহে ছিল তা আত্মহত্যার কারণে হতে পারে না। জেমসের এই রিপোর্ট তিন বছরের পুরনো জিয়া মৃত্যু রহস্যের নতুন মোড় আনবে।
অভিনেত্রী জিয়া খানকে ২০১৩ সালের ৩০ জুন তার ঘরেই ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। সাধারণভাবে বিষয়টি আত্মহত্যা মনে হলেও জিয়ার মা রাবেয়া খান এই মৃত্যু মেনে নিতে পারেননি। তার দাবী ছিল, জিয়া কোনোভাবেই আত্মহত্যা করতে পারে না। তাকে হত্যা করা হয়েছে।
১ আগস্ট সোমবার মুম্বাই হাইকোর্টে জিয়া খান মৃত্যু মামলার তদন্ত রিপোর্ট উপস্থাপন করে সিবিআই। আর সেখানেই তাদের নিরপেক্ষ তদন্তটি নিয়ে কথা বলে মামলার তদন্তকারী। তারা জিয়া খানের মৃত্যুর মামলাটি তদন্ত করে জিয়া আত্মহত্যাই করেছেন বলে নিশ্চিত হয়েছেন।
কিন্তু জেমসের এই রিপোর্ট আবারো জিয়া হত্যা মামলায় নতুন করে ভাবার সুযোগ করে দিয়েছে।
জেড





