ক্যানবেরার গাঙ্গালিন মসজিদের ইমাম মাহমুদুল হাসান জানান, ‘প্রতিবছর আমরা সবার আগে ঈদ উদযাপন করি, কিন্তু এ বছর ঈদ উদযাপন করেছি সবার পরে।’ এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশে ২৯ রোজা পালন করা হলেও, অস্ট্রেলিয়াতে ৩০ রোজা পালন করা হয়েছে, যার ফলে এক দিন পরে ঈদ উদযাপন করা হয়েছে।

ঈদের তারিখ নির্ধারণে অস্ট্রেলিয়াতে দুটি আলাদা পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। একটি পদ্ধতি হলো— ‘মুনসাইটিং’, যেখানে চাঁদ সরাসরি আকাশে দেখা গেলে ঈদের দিন ঘোষণা করা হয়। অন্য পদ্ধতি হলো— ফতোয়া কাউন্সিলের বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ, যা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফতোয়া পরিষদের নির্দেশিকা অনুসরণ করে। এ বছর ফতোয়া কাউন্সিলের অনুসারীরা ৩১ মার্চ ঈদ উদযাপন করেন, কারণ তারা ৩০ রোজা পূর্ণ করেন। তবে মুনসাইটিং অনুসারীরা চাঁদ না দেখায় এক দিন পর, অর্থাৎ ১ এপ্রিল ঈদ উদযাপন করেন।

৩১ মার্চ ক্যানবেরার মসজিদগুলোতে একাধিক ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হলেও, ১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত জামাতে মুসল্লির সংখ্যা ছিল অনেক কম। ঈদের জামাতে অংশ নেওয়া মজুমদার তুষার জানান, ‘৩১ মার্চ ঈদের প্রস্তুতি নিয়েছিলাম, অফিসের ছুটি নিয়েছিলাম, কিন্তু চাঁদ না দেখায় আজ ঈদ উদযাপন করছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘এক দিন পরে ঈদ হওয়ায় মুসল্লির সংখ্যা কম এবং অনেকেই কাজের কারণে নামাজ শেষে দ্রুত চলে যায়, ফলে ঈদের অনুভূতি অনেকটাই হালকা থাকে।’

এনএইচ