বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৯৪৪ শিশু। এ সময় নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হওয়ার পর আরও ১০০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ মিলিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪৪ জনে।
এদিকে গত এক দিনে নতুন করে ৮১ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে আরও ১ হাজার ২৩৯ শিশুর শরীরে। একই সময়ে ১ হাজার ১৪১ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র পেয়েছে ১ হাজার ৭৯ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব বলছে, গত ১৫ মার্চ থেকে বুধবার পর্যন্ত দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭৫ হাজার ১৯৮। এর মধ্যে ২০ হাজার ২৮২ জনের শরীরে পরীক্ষায় নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে।
এই সময়ে মোট ১ লাখ ৫৪ হাজার ৪২০ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৪৬৫ জন।
একসময় বাংলাদেশে হাম নির্মূলের কাছাকাছি পৌঁছে গেলেও বর্তমানে দেশটি বড় ধরনের হাম প্রাদুর্ভাবের মুখোমুখি হয়েছে। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকার নতুন করে টিকাদান কর্মসূচি চালুর উদ্যোগ নিয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে দেশে আবারও হামের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে। কর্মসূচির জন্য অধিকাংশ টিকা ইউনিসেফের মাধ্যমে ইতোমধ্যে দেশে পৌঁছেছে। অবশিষ্ট টিকাও ১৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
এস





