অনেকেই দেশে প্রচলিত সাধারণ সবজিকে খুব একটা পুষ্টিকর বলে মনে করেন না। এ কারণে এগুলো খেতেও অনীহা দেখা যায়। কিন্তু একটু খবর নিলেই জানতে পারবেন, ঢেঁড়স, ওলকপি, বাঁধাকপি ইত্যাদি সবজি মোটেও ফেলনা নয়। বরং এগুলোতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টিগুণ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এ ধরনের পাঁচটি সবজি ও তার রান্নার টুকিটাকি প্রকাশ করেছে হাফিংটন পোস্ট।

১. ঢেঁড়স
ঢেঁড়স পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ অত্যন্ত উপকারি একটি সবজি। এতে পর্যাপ্ত পরিমাণে আঁশ ও রোগপ্রতিরোধক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এতে রয়েছে ভিটামিন এ এবং সি। আপনি নানাভাবে রান্না করতে পারবেন এটি। এটি অন্যান্য সবজির সঙ্গে মিশিয়ে রান্না করা যায়। এ ছাড়াও তেল, লবণ ও মরিচ দিয়ে ভাজা করেও খাওয়া যায় এটি।

২. ওলকপি
পর্যাপ্ত পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ একটি সবজি ওলকপি। এটি প্রাকৃতিকভাবে ফ্যাট ফ্রি এবং আঁশসমৃদ্ধ খাদ্য হিসেবে পরিচিত। এতে রয়েছে পটাসিয়াম ও হজমে সহায়ক ভিটামিন সি। কাঁচা কিংবা রান্না করে এটি খাওয়া যায়। রান্না না করে আপেল ও লেবুজাতীয় ফলের সঙ্গে কুচি কুচি করে কেটে সালাদ আকারে এটি খাওয়া যায়।

৩. সর্ষে শাক
সবুজ শাকে যে প্রচুর ভিটামিন রয়েছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আর সর্ষে শাক হলো এ তালিকার অন্যতম প্রধান পুষ্টিসমৃদ্ধ শাক। প্রাকৃতিক ‘মাল্টিভিটামিন’ এ শাকে সামান্য পরিমাণে মসলার মতো স্বাদ রয়েছে। এটি মিষ্টি কোনো ফলের সঙ্গে মিশিয়ে সুন্দর সস বানানো যায়। এ ছাড়াও সুপ, রান্না তরকারি ও লাসাগনাতে এটি ব্যবহার করা যায়।

৪. বাঁধাকপি
নানা ধরনের ও বর্ণের বাঁধাকপি রয়েছে বাজারে। আর এর প্রায় সবগুলোই স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি। এটি ক্যান্সারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। এ ছাড়াও এতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। বাঁধাকপি দেহের কোলেস্টেরল কমিয়ে দেওয়ার ও হজমে উপকারি উপাদানসমৃদ্ধ সবজি। বাঁধাকপিও কাঁচা কিংবা রান্না করে খাওয়া যায়। এটি সুপ কিংবা তরকারিতে দিয়েও খাওয়া যায়। এছাড়া বাঁধাকপি ভেজেও খাওয়া যায়।

৫. বেগুন
বেগুন অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ একটি সবজি। বাংলাদেশের বিভিন্ন রান্নায় বেগুন ব্যবহার করা হয়। বেগুন ভর্তা, বেগুন পোড়া, এবং বেগুনী বানাতে এর ব্যবহার রয়েছে। বিশেষত বাংলাদেশে ইফতারের জন্য বেগুনী একটি জনপ্রিয় খাবার। তরকারি হিসেবে এটি টমেটোসহ আরও কিছু সবজির সঙ্গে একত্রে রান্না করা যায়।

ঢাকা, ২১ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই