বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) হাকান ফিদান সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে সাংবাদিকদের সামনে এ মন্তব্য করেন। টাইমস অব ইসরায়েলের বরাতে জানা গেছে, তিনি বলেন, যুদ্ধবিরতির বিষয়ে চারটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কাজ চলছে—ইসরায়েলি জিম্মি ও ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি, ইসরায়েলি সেনাদের প্রত্যাহারের সীমারেখা, গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবেশ এবং সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতির শর্তাবলী। আলোচনার মাধ্যমে এগুলোতে ইতোমধ্যে অগ্রগতি হয়েছে, উল্লেখ করেছেন তিনি।
একই সময় মিসরের প্রেসিডেন্ট আব্দেল-ফাত্তাহ এল-সিসি শারম এল-শেইখে চলমান আলোচনাকে ইতিবাচক বলে অভিহিত করেছেন। কায়রোতে এক শিক্ষাগত অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “কাতার, মিসর এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি শারম এল-শেইখে পৌঁছেছেন এবং আমি যে সংবাদ পাচ্ছি তা আশা জাগানিয়া।” তিনি মিসর যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠায় সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা করছে বলেও জানিয়েছেন এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কফজ আগ্রহও প্রশংসা করেছেন।
এছাড়া সিসি আশা প্রকাশ করেছেন—যদি চলমান আলোচনায় স্থায়ী রূপে যুদ্ধবিরতি, বন্দি মুক্তি ও গাজা পুনর্গঠনের বিষয়ে সমঝোতা দাঁড় করায়, তাহলে তা গাজায় দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রয়োজনে চুক্তি প্রণয়ন ও স্বাক্ষরের জন্য তৎক্ষণাৎ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে মিসরে আমন্ত্রণ পাঠানো হতে পারে বলে তিনি জানান।
আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারীরা শিগগিরই যুদ্ধবিরতির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে কিনা—তার ওপর নজর রাখছে বিশ্ব।
এনএইচ