এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, যুদ্ধের কারণে পেট্রোল ও খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ছে। এর ফলে সংঘাতের অর্থনৈতিক চাপ সরাসরি সাধারণ মার্কিন নাগরিকদের ওপর পড়ছে।

মার্ক কেলির মতে, ইরান যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসতে ট্রাম্পের সামনে মূলত কয়েকটি বিকল্প রয়েছে।

প্রথমত, স্থলবাহিনী পাঠিয়ে সামরিক অভিযান আরও বিস্তৃত করা। তবে এই পথ বেছে নিলে হাজার হাজার মার্কিন সেনার প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে বলে সতর্ক করেন তিনি।

দ্বিতীয়ত, যুদ্ধ থেকে পুরোপুরি সরে আসা।

তৃতীয়ত, সরাসরি স্থলযুদ্ধে না গিয়ে অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের পাশাপাশি ইউরোপীয় মিত্রদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের জোট পুনর্গঠনের চেষ্টা করা।

কেলির মতে, গত দেড় বছরে ইউরোপের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক ও জোট দুর্বল হয়েছে। তাই মিত্রদের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করে অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করাই তুলনামূলকভাবে ভালো পথ হতে পারে।

মার্ক কেলি সরাসরি ট্রাম্পের নীতির সমালোচনা করে বলেন, এটি প্রেসিডেন্টের নিজের তৈরি করা সংকট।

তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট মনে করেন তিনি সবার চেয়ে সবকিছু বেশি জানেন। আর এই জেদ তাকে সীমিত ভালো বিকল্পের মধ্যে ফেলে দিয়েছে।’

তার মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের হাতে কার্যকর ও ঝুঁকিমুক্ত বিকল্প খুব বেশি নেই।

ইরানে মার্কিন বোমা হামলারও সমালোচনা করেছেন কেলি। তার দাবি, এসব হামলায় কিছু ক্ষেত্রে নিরীহ ইরানি শিশুও নিহত হয়েছে।

তিনি মনে করেন, সামরিক হামলা চালিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল করার চেয়ে অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ এবং আন্তর্জাতিক মিত্রদের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠন বেশি কার্যকর হতে পারে।

কেলির বক্তব্য অনুযায়ী, স্থলবাহিনী পাঠিয়ে যুদ্ধ আরও বিস্তৃত করার ঝুঁকি নেওয়ার চেয়ে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক পথ অনুসরণ করাই যুক্তরাষ্ট্রের জন্য তুলনামূলক ভালো বিকল্প।

সূত্র: আল জাজিরা

এস