পিটিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, শুধু মুম্বাই বিমানবন্দরেই বাতিল হয়েছে অন্তত ১১৮টি ফ্লাইট। বেঙ্গালুরুতে ১০০টি, হায়দ্রাবাদে ৭৫টি, কলকাতায় ৩৫টি, চেন্নাইয়ে ২৬টি এবং গোয়ায় ১১টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া ভোপাল বিমানবন্দরে আরও কমপক্ষে পাঁচটি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।

হঠাৎ এত বিপুল পরিমাণ ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় যাত্রীরা পড়েছেন চরম দুর্ভোগে।—এনডিটিভি

হঠাৎ ইন্ডিগোর পরিষেবা এভাবে থমকে যাওয়ার পেছনে রয়েছে আপডেট করা ক্রু রোস্টারিং নিয়মাবলী। ক্রু এবং পাইলটদের ফ্লাইট ডিউটি টাইম নির্দিষ্ট করে দেয়াতেই সমস্যা দেখা দিয়েছে। ইন্ডিগোর পাইলটের সংখ্যা কম। ক্রু সদস্যও প্রয়োজনের তুলনায় কম। তার মধ্যে নভেম্বর মাস থেকে এফডিটিএলের নিয়ম দ্বিতীয় ধাপে কার্যকর হয়েছে। সাপ্তাহিক বিশ্রামের সময় বাড়িয়ে ৪৮ ঘণ্টা করে দেয়া হয়েছে। আগে যেখানে সর্বাধিক ৬টি নাইট ল্য়ান্ডিং করা যেত, তা কমিয়ে ২টো করে দেওয়া হয়েছে।

ইন্ডিগো এক বিবৃতিতে জানায়, এই সমস্যা দূর করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ করা হচ্ছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিমান সংস্থাটি জানিয়েছে, সময়সূচী ঠিক করার চেষ্টা হচ্ছে। আগামী দুই থেকে তিন দিন ফ্রাইট বাতিল অব্যাহত থাকতে পারে। এছাড়া আগাম ৮ ডিসেম্বর থেকে বিমান সংস্থাটি ফ্লাইট পরিচালনা কমিয়ে দেবে বলে জানিয়েছে।

এদিকে, বিমান চলাচল স্থগিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। এনডিটিভি জানিয়েছে, দিল্লি বিমানবন্দর টার্মিনালে হাজার হাজার স্যুটকেস পড়ে রয়েছে।

এনএইচ