স্ত্রী লরা ও’নিলের সেই উচ্ছ্বাসের কারণ ছিল সোমবার (৬ অক্টোবর) চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার বিজয়ীদের ঘোষণা। এ বছর তিনজন বিজ্ঞানী এই সম্মানজনক পুরস্কার পেয়েছেন, তাদের একজন র্যামসডেল।
৬৪ বছর বয়সী এই বিজ্ঞানী জানিয়েছেন, ফোনটি এয়ারপ্লেন মোডে থাকার কারণে নোবেল কমিটির রাত ২টার কলটি তিনি পাননি। পরে স্ত্রীর ফোনে প্রচুর অভিনন্দন বার্তা আসতে দেখে বিষয়টি জানতে পারেন। তখনই লরা চিৎকার করে বলেন, “তুমি নোবেল জিতেছো!”—প্রথমে তিনি সেটি বিশ্বাসই করতে পারেননি।
র্যামসডেল ও তার সহকর্মীরা রোগ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে যুগান্তকারী গবেষণার জন্য নোবেল পেয়েছেন। তাদের গবেষণা অটোইমিউন রোগ যেমন আর্থ্রাইটিস, মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস এবং ক্রোনস রোগের চিকিৎসায় নতুন দিক উন্মোচন করেছে।
তিনি জানান, ছুটির সময় সাধারণত ফোন ব্যবহার করেন না। তিন সপ্তাহের হাইকিং ট্রিপের প্রায় শেষ পর্যায়ে মন্টানার ইয়েলোস্টোন ন্যাশনাল পার্কের কাছে অবস্থান করছিলেন তারা।
নোবেল অ্যাসেম্বলির সাধারণ সম্পাদক থমাস পারেলম্যান বলেন, র্যামসডেলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে প্রায় ২০ ঘণ্টা সময় লেগেছে—২০১৬ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এত সময় আর কখনো লাগেনি।
পুরস্কারপ্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় র্যামসডেল বলেন, আমি কৃতজ্ঞ এবং বিনীত। এই কাজের স্বীকৃতি পেয়ে আনন্দিত। এখন আমার সহকর্মীদের সঙ্গে এই সুখবর ভাগ করে নেওয়ার অপেক্ষায় আছি।
সূত্র: দ্য নিউইয়র্ক টাইমস
এনএইচ