ইমাম খামেনির রচিত আত্মজীবনী ‘সেল নম্বর ১৪’ বইয়ে খামেনি নিজের জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছেন।

ইরানের নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি মসজিদের ইমাম থেকেই দেশের সর্বোচ্চ নেতা হয়েছেন। খামেনি প্রথমে মাশহাদের একটি সরু গলিতে অবস্থিত ছোট ‘ইমাম হাসান মসজিদে’ ইমামতি শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি মাশহাদের বিখ্যাত ও বড় ‘কেরামত মসজিদে’ ইমামতি শুরু করেন। এই মসজিদটি শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠীর মিলনস্থলে পরিণত হয়েছিল। তবে তাঁর ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে সরকারি কর্তৃপক্ষ তাকে এই মসজিদে ইমামতি করতে বাধা দেয়।

কেরামত মসজিদে ইমামতি নিষিদ্ধ হওয়ার তিন মাস পর তিনি আবারও ‘ইমাম হাসান মসজিদে’ ফিরে আসেন এবং প্রতি শনিবার মাগরিবের নামাজের পর বিভিন্ন বিষয়ে ওপর বক্তব্য দিতেন।

১৯৬৬ সালের দিকে তেহরানে অবস্থানকালে তিনি একটি নির্মাণাধীন মসজিদে (যা পরে ‘আমিরুল মুমিনিন মসজিদ’ নামে পরিচিত হয়) জামাতে নামাজ পড়াতেন এবং বক্তব্য দিতেন।

নির্বাসনে থাকা অবস্থায় তিনি ইরনশাহরের একমাত্র শিয়া মসজিদ ‘আল-রাসুল মসজিদে’ ইমামতি শুরু করেন। তিনি সেখানে নামাজের পর অত্যন্ত জনপ্রিয় ও শিক্ষামূলক সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দিতেন।

আলী খামেনি মাশহাদের সামরিক কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় তিনি সহবন্দিদের নিয়ে জামাতে নামাজ পড়াতেন। তাঁর ইমামতি এবং ধর্মীয় বক্তব্যের প্রভাব দেখে কারারক্ষীরা পরে তাকে জামাতে নামাজ পড়াতে এবং অন্য বন্দিদের সঙ্গে কথা বলতে নিষেধ করে দেয়।

কৃতজ্ঞতা: মহানগর পাবলিকেশন

এমএম