সরকারি অনুষ্ঠান শুরুর আগেই হাজারো মানুষ প্রার্থনা হলের বাইরে জড়ো হন। অনেকেই আশা করেছিলেন, রাতের মধ্যেই প্রবেশের দরজা খুলে দেওয়া হবে। তাই তারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেন।
অপেক্ষমাণদের একজন সোমাইয়ে বলেন, আমরা আমাদের নেতার প্রতি ভালোবাসা থেকেই এসেছি। এই অপেক্ষা যেমন কষ্টের, তেমনি আমাদের কাছে মধুরও।
অনেকেই বলেন, খামেনি দেশের জন্য যে অবদান রেখেছেন, তার তুলনায় কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করা কোনো বিষয়ই নয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফাতেমেহ বলেন, তাকে বিদায় জানাতে কোনো ধরনের কমতি রাখা উচিত নয়।
আরেক শিক্ষার্থী মাহদি বলেন, ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা অপেক্ষা করা কিছুই না। মনে হচ্ছে, যেন নিজের পরিবারের একজন সদস্যের জানাজায অংশ নিচ্ছি।
এমএম