বুধবার (৮ অক্টোবর) নিজস্ব সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করা বার্তায় ট্রাম্প বলেন, আমি গর্বের সঙ্গে জানাচ্ছি, ইসরায়েল ও হামাস আমাদের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনার প্রথম পর্যায়ে স্বাক্ষর করেছে। খুব শিগগিরই সব জিম্মি মুক্তি পাবে এবং ইসরায়েলও চুক্তি অনুযায়ী গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে।
ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধের অন্যতম মধ্যস্থতাকারী কাতারও এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল আনসারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, আজ রাতে গাজায় স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নতুন পরিকল্পনার প্রথম ধাপ বাস্তবায়নে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর ফলে যুদ্ধের অবসান ঘটবে, সব ইসরায়েলি জিম্মি ও ফিলিস্তিনি বন্দি মুক্তি পাবে এবং গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবেশে আর কোনো বাধা থাকবে না।
এর আগে গত ২৯ সেপ্টেম্বর হোয়াইট হাউসে এক ঘোষণায় ট্রাম্প বলেন, গাজায় স্থায়ী শান্তির লক্ষ্যে নতুন যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা প্রস্তাব করা হয়েছে। সে সময় তার পাশে উপস্থিত ছিলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।
প্রথমে ইসরায়েল, মিসর ও কাতার এই পরিকল্পনায় সম্মতি জানায়, তবে হামাস তখনও আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মতি দেয়নি। পরে ৩ অক্টোবর হামাসের সম্মতি পাওয়ার পর ট্রাম্প ইসরায়েলকে গাজায় বোমাবর্ষণ বন্ধের আহ্বান জানান।
এরপর ৬ অক্টোবর মিসরের শারম আল শেখ শহরে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল, হামাস, মিসর ও কাতারের প্রতিনিধিদের মধ্যে দুই দিনের বৈঠকে চুক্তির বিস্তারিত নিয়ে আলোচনা হয়। অবশেষে আলোচনার সফল সমাপ্তিতে উভয় পক্ষ ট্রাম্পের প্রস্তাবের প্রথম ধাপে স্বাক্ষর করে।
বৈঠকের অগ্রগতি সম্পর্কে আগে থেকেই আশাবাদী ছিলেন ট্রাম্প। ট্রুথ সোশ্যালে বার্তা দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, আমি যতদূর জেনেছি, আলোচনা ইতিবাচক দিকে যাচ্ছে। সবকিছু ঠিক থাকলে সপ্তাহের শেষেই আমি মধ্যপ্রাচ্যে যেতে পারি।
সূত্র: এএফপি
এনএইচ