ভিডিওবার্তায় শহিদুল আলম বলেন, “আমি শহিদুল আলম, বাংলাদেশের ফটোগ্রাফার ও লেখক। আপনি যদি এই ভিডিওটি দেখছেন, তাহলে বুঝবেন আমরা সমুদ্রে আটক হয়েছি এবং আমাকে অপহরণ করেছে ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা শক্তির সক্রিয় সহযোগিতায় তারা গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে। আমি সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছি—ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার সংগ্রাম অব্যাহত রাখুন।”
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আলজাজিরা জানায়, ফ্রিডম ফ্লোটিলার একাধিক জাহাজ গাজার দিকে যাত্রা করার সময় ইসরায়েলি সেনাবাহিনী তাদের ওপর হামলা চালায় ও আটক করে। দ্য কনশেন্স নামের জাহাজে ছিলেন শহিদুল আলমসহ ৯৩ জন সাংবাদিক, চিকিৎসক ও মানবাধিকারকর্মী। ইসরায়েলি বাহিনী জাহাজটির সঙ্গে থাকা তিনটি ছোট নৌকাতেও আক্রমণ চালায়।
ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক্স (টুইটার)-এ দেওয়া বার্তায় অভিযান পরিচালনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তারা জানায়, “আইনি নৌ অবরোধ লঙ্ঘন করে যুদ্ধক্ষেত্রে প্রবেশের আরেকটি প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। জাহাজ ও যাত্রীদের নিরাপদে একটি ইসরায়েলি বন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং তাদের নিজ নিজ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।”
শহিদুল আলমের জাহাজটি ছিল আন্তর্জাতিক উদ্যোগ ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন (FFC) এবং থাউজ্যান্ড ম্যাডলিনস টু গাজা (TMTG)-এর অংশ। সাংবাদিক, চিকিৎসক ও মানবাধিকারকর্মীবাহী এই বহরটি ইসরায়েলের অবৈধ অবরোধ ভাঙা এবং গাজার জনগণের কাছে মানবিক সহায়তা ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল।
এনএইচ