বার্তাসংস্থা এপি বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

ইন্টারসেপ্টর মিসাইল মূলত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। শত্রুপক্ষের নিক্ষেপ করা মিসাইল বা ড্রোন আকাশে থাকতেই শনাক্ত করে ধ্বংস করতে এসব ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহৃত হয়।

এপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হুথিদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের সংঘাতের কারণে সৌদি আরবের ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে। এ পরিস্থিতিতে দেশটি কয়েকটি দেশের কাছে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সৌদি ভূখণ্ডে মোতায়েনের অনুরোধ জানিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের বরাত দিয়ে এপি জানিয়েছে, সৌদি আরবের ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের ঘাটতির মুখে পড়েছে। ফলে সৌদির অনুরোধে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে তাৎক্ষণিকভাবে সহায়তা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

এদিকে বুধবার সৌদি আরব দাবি করেছে, হুথিরা পবিত্র নগরী মক্কায় ড্রোন হামলার চেষ্টা চালিয়েছিল। তবে মক্কার আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই সেটি ধ্বংস করা হয় বলে জানিয়েছে দেশটি।

তবে সৌদি আরবের এ দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে হুথিরা। সংগঠনটি অভিযোগটিকে ‘মিথ্যাচার’ বলে উল্লেখ করে জানিয়েছে, সৌদি আরবে তাদের হামলার লক্ষ্য কেবল তেল অবকাঠামো।

এখন পর্যন্ত আরব দেশগুলো সৌদি আরবের প্রতি সংহতি ও সহমর্মিতা প্রকাশ করলেও সামরিক সহায়তার বিষয়ে কোনো প্রতিশ্রুতি দেয়নি।

এস