কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির কার্যালয় জানিয়েছে, জেইএফে যোগ দেওয়ার জন্য আনুষ্ঠানিক আবেদন করার বিষয়টি কার্নি ঘোষণা করেছেন। এ উদ্যোগে যুক্তরাজ্যের সমর্থনের জন্যও তিনি দেশটির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যামের সঙ্গে কার্নির বৈঠকের পর এ ঘোষণা আসে। বৈঠকে দুই নেতা দুই দেশের দীর্ঘদিনের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি ইউরোপীয় অংশীদারদের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও মতবিনিময় হয়।

জেইএফের বর্তমান সদস্য দেশগুলো হলো ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, সুইডেন ও যুক্তরাজ্য। এটি দ্রুত প্রতিক্রিয়াশীল একটি সামরিক জোট, যার সদস্যরা ইউরোপীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় একসঙ্গে কাজ করে।

বৈঠকে গ্লোবাল কমব্যাট এয়ার প্রোগ্রাম (জিসিএপি)-এর আওতায় প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতার সম্ভাবনাও আলোচনায় আসে। কানাডা চলতি বছরের জুলাইয়ে জিসিএপিতে পর্যবেক্ষক হিসেবে যোগ দিয়েছে। কর্মসূচিটির আওতায় ভবিষ্যৎ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরিতে যুক্তরাজ্য, ইতালি ও জাপানের সঙ্গে সহযোগিতা রয়েছে।

এ ছাড়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়েও আলোচনা করেন কার্নি ও বার্নহ্যাম। অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অভিন্ন উদ্বেগ মোকাবিলায় সরকার ও প্রযুক্তি খাতের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে দুই নেতা একমত হন।

কার্নির কার্যালয় জানিয়েছে, জিসিএপিতে কানাডার পর্যবেক্ষক হিসেবে যোগ দেওয়ার বিষয়টিকেও স্বাগত জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম।

এনএইচ