মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক বিবৃতিতে বলা হয়, উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানগুলো ইরানি তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল পণ্যের কেনাবেচায় “গুরুত্বপূর্ণ লেনদেন”-এ ইচ্ছাকৃতভাবে অংশ নিয়েছে, যা আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের শামিল।
নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- অ্যালকেমিক্যাল সলিউশনস প্রাইভেট লিমিটেড, গ্লোবাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল কেমিক্যালস লিমিটেড, জুপিটার ডাই কেম প্রাইভেট লিমিটেড, রমনিকলাল এস. গোসালিয়া অ্যান্ড কোম্পানি, পার্সিসটেন্ট পেট্রোকেম প্রাইভেট লিমিটেড, কাঞ্চন পলিমার্স।
এছাড়া বিশ্বের আরও ২০টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও একই ধরনের নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
নিষেধাজ্ঞার ফলে এসব প্রতিষ্ঠানের যুক্তরাষ্ট্রে থাকা সম্পদ জব্দ করা হবে। মার্কিন নাগরিক বা কোম্পানি কেউই তাদের সঙ্গে ব্যবসা করতে পারবে না। এমনকি যেসব সহযোগী প্রতিষ্ঠানে এদের মালিকানা ৫০ শতাংশ বা তার বেশি, তারাও নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বে।
ট্রাম্প প্রশাসনের ভাষ্য অনুযায়ী, এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো ইরানের তথাকথিত ‘ছায়া নৌবহর’ ও মধ্যস্বত্বভোগী নেটওয়ার্ককে দমন করা, যারা বিশ্বব্যাপী ইরানি তেল পরিবহনে ভূমিকা রাখছে।
নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি, ভারতীয় পণ্যের ওপর ২৫% পাল্টা শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প, যা আগামী ১ আগস্ট থেকে কার্যকর হবে। এছাড়া, রাশিয়ার কাছ থেকে অস্ত্র ও জ্বালানি কেনার কারণে ভারতকে ভবিষ্যতে আরও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে সেই শাস্তির ধরন এখনো নির্ধারিত হয়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ইরানি তেল বিক্রির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতা ও সন্ত্রাসবাদে ব্যবহৃত হচ্ছে।
সূত্র: দ্য হিন্দু
এনএইচ