বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

তিনি বলেন, শেয়ারসহ তার বিনিয়োগ নিয়ে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে জনসমক্ষে ওঠা প্রশ্নগুলোকে তিনি গুরুত্ব সহকারে নিয়েছেন।

পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমার বিরুদ্ধে ওঠা বিষয়গুলোর সুষ্ঠু তদন্ত এবং আমার পদের কারণে তদন্ত প্রক্রিয়ায় যেন কোনোভাবেই প্রভাবিত কিংবা স্বার্থের সংঘাত তৈরি না হয়, তা নিশ্চিত করতে আজ আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করছি।’

৩৮ বছর বয়সী গুরুং আরও বলেছেন, ‘আমার কাছে পদের চেয়ে নৈতিকতা বড় এবং জনআস্থার চেয়ে বড় কোনও শক্তি নেই। দেশে চলমান ‘জেন জি’ আন্দোলন, যা সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা দাবি করছে; সেটিও এই বার্তাই দিয়েছে যে, জনজীবন অবশ্যই পরিচ্ছন্ন এবং নেতৃত্বকে জবাবদিহি করতে হবে। যদি আমার ৪৬ জন ভাই-বোনের রক্ত ও ত্যাগের বিনিময়ে গঠিত সরকার নিয়ে কেউ প্রশ্ন তোলে, তাহলে তার উত্তর হলো নৈতিকতা।’

নেপালি সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্ট জানিয়েছে, গুরুংয়ের পদত্যাগ এমন এক সময়ে এলো যখন সাম্প্রতিক দিনগুলোতে অর্থ পাচারের অভিযোগে তদন্তাধীন ব্যবসায়ী দীপক ভাট্টার সঙ্গে তার কথিত ব্যবসায়িক যোগসূত্র নিয়ে বিতর্ক সামনে এসেছে।

তবে ভাট্টার সঙ্গে কথিত ব্যবসায়িক যোগসূত্র নিয়ে তদন্তের আওতায় আসার পর গুরুং বলেছিলেন, তিনি তদন্তে সহযোগিতা করবেন।

সোমবার একটি ফেসবুক পোস্টে গুরুং বলেন, ‘অনেক গুজব ছড়িয়েছে এবং অভিযোগ ও সত্য এক জিনিস নয়। সিদ্ধান্ত আবেগের ওপর নয়, প্রমাণের ওপর ভিত্তি করে হওয়া উচিত।’

তিনি আরও বলেন, দলের নেওয়া প্রতিটি সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণরূপে মেনে চলবেন এবং তদন্তে সহযোগিতা করবেন।

সূত্র: কাঠমান্ডু পোস্ট

এমএম