মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) শারম আল শেখে দ্বিতীয় দিনের মতো বসে হামাস ও ইসরায়েলের প্রতিনিধিরা। যুক্তরাষ্ট্র, কাতার ও মিশর মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করছে। বুধবার (৮ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত তৃতীয় দিনের আলোচনায় কাতারের প্রধানমন্ত্রীরও অংশগ্রহণ থাকার কথা বলা হয়েছে।

হামাসের প্রধান আলোচক খলিল আল-হায়া খবরমাধ্যমকে বলেছেন, হামাস কখনই দখলের ওপর আস্থা রাখে না এবং পূর্বের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে তারা এমন একটি আবাশ্যিক নিশ্চিতকরণ চাইছে যাতে গাজায় যুদ্ধ নিঃশর্তভাবে শেষ হয় ও ভবিষ্যতে পুনরায় শুরু না হয়।

এ বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট (নাম প্রবন্ধে উল্লেখিত) বলেছেন, জিম্মি মুক্তির পর ইসরায়েল গাজায় পুনরায় হামলা করবে না—এমন আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। তবে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে তেমন সরাসরি নিশ্চয়তার কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরাইলে হামাসের আক্রমণের বার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া বিবৃতিতে হামাসকে দায়ী করে বলেন, গত সংঘাতগুলোই গাজার বিরুদ্ধে ইসরায়েলের অভিযানের সূত্রপাত ঘটিয়েছে। তিনি সংঘাতকে ‘ইসরায়েলের অস্তিত্ব ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কিত একটি লড়াই’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং বলেন, ইসরায়েল তার সমস্ত লক্ষ্য অর্জন করতে প্রতিপন্ন থাকবে—তৎপরতাগুলোর মধ্যে রয়েছেঃ সব জিম্মিদের উদ্ধার, হামাসের শাসনদমন এবং গাজাকে ভবিষ্যতে ইসরায়েলের জন্য হুমকি মুক্ত করা।

নেতানিয়াহু সরাসরি যুদ্ধবিরতি আলোচনা নিয়ে কোনো স্বীকারোক্তি দেননি; তাঁর ভাষায়, ইসরায়েল এখন একটি “সংকটপূর্ণ সিদ্ধান্তের দিন” মুখোমুখি।

আলোচনার ফলে কেমন কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা বা সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে কিনা—এ ধরনের বিষয়গুলো এখনো চূড়ান্ত হয়নি এবং দিকনির্দেশক বৈঠকগুলো চলমান রয়েছে।

এনএইচ