রোববার (১১ অক্টোবর) বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি ও বিচারপতি ভি মোহনার সমন্বয়ে গঠিত সুপ্রিম কোর্টের বিশেষ বেঞ্চ এসব নির্দেশ দেন। হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার পাওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করতে সুপ্রিম কোর্ট ও অন্যান্য আদালত চত্বরের আশপাশে জারি করা বিধিনিষেধমূলক নোটিশ প্রত্যাহারেরও নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে শনিবারের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে গণ-আটক, চলাচলে বিধিনিষেধ, ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা এবং পরিবহন ব্যবস্থায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে ৯ অক্টোবর দেওয়া আদালতের নির্দেশ অমান্য করা হয়েছে—এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জরুরি শুনানি শেষে নতুন নির্দেশনা দেন বেঞ্চ।
আদালত বলেন, জনশৃঙ্খলা রক্ষার প্রয়োজনে আইন অনুযায়ী বিধিনিষেধ আরোপের পরিস্থিতি না থাকলে মেট্রো ও রেল পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে হবে। আইন মেনে মানুষের অবাধ চলাচল নিশ্চিত করতে হবে এবং ইন্টারনেট পরিষেবাও চালু রাখতে হবে।
এ ছাড়া ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারার আওতায় জারি করা নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকা এলাকায় শান্তিপূর্ণ ও নিরস্ত্র সমাবেশের ক্ষেত্রে আইনগত প্রক্রিয়া ছাড়া কাউকে আটক করা যাবে না বলে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
৯ অক্টোবরের নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগে দিল্লি মেট্রো রেল করপোরেশন, সংশ্লিষ্ট রেল কর্তৃপক্ষ এবং দিল্লি পুলিশকে আদালত অবমাননার নোটিশ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে তাদের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
শুনানিতে ভারতের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, শনিবার মেট্রো পরিষেবা স্বাভাবিক ছিল। তবে নেটওয়ার্কের ৩০৩টি স্টেশনের মধ্যে ৪৫টিতে প্রবেশ ও বের হওয়ার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল।
এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য চেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে মঙ্গলবারের মধ্যে জবাব দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মামলাটি আগামী ১৩ অক্টোবর পরবর্তী শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্ট আরও নির্দেশ দিয়েছেন, আদালতে যাতায়াতের ক্ষেত্রে যেন কোনো ধরনের সংশয় বা ভীতি তৈরি না হয়। এ জন্য সুপ্রিম কোর্ট ও আশপাশের এলাকা থেকে বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করে বিচারপ্রার্থী ও সাধারণ মানুষের চলাচল নিশ্চিত করতে হবে।
এস















