মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত কলকাতা পুরসভা পার্ক সার্কাস ময়দানে রাহুল গান্ধীর নির্বাচনী জনসভা করার অনুমতি দেয়নি। অথচ বিজেপির প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী নরেন্দ্র মোদিকে তারা অনুমতি দিয়েছে।
আগামী ৮ মে এই পার্কে কংগ্রেসের সহ-সভাপতি রাহুলের সভা করার কথা জানিয়ে পুরসভার কাছে সোমবার চিঠি পাঠিয়েছিলেন উত্তর কলকাতার কংগ্রেস প্রার্থী সোমেন মিত্র। সেই আবেদন নাকচ করে দেওয়া দিয়েছে পুরসভা কর্তৃপক্ষ। অথচ তার আগের দিন, ৭ তারিখ বিজেপি-প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী নরেন্দ্র মোদিকে সভার জন্য পুরসভার পার্ক ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে পুরসভা ।
তৃণমূল পরিচালিত পুরসভার বিরুদ্ধে দ্বিচারিতা এবং বৈষম্যের অভিযোগ এনে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে কংগ্রেস।
রাহুলকে সভা করার অনুমতি না দিয়ে মোদিকে অনুমতি দেয়াকে রাজনৈতিক অভিসন্ধি বলেছে কংগ্রেস। ২৫ মার্চ পার্ক সার্কাস ময়দানেই রাহুলের কর্মিসভার জন্য আর্জি জানানো হয়েছিল পুরসভায়। সে বার পরীক্ষার কারণ দেখিয়ে তা দেওয়া যাবে না বলে মৌখিকভাবে জানিয়েছিল পুর প্রশাসন। দিল্লীতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ভি এস সম্পত-সহ কমিশনের ফুল বেঞ্চ এবং পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ নির্বাচন কমিশনার বিনোদ জুৎসির কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস নেতা প্রদীপ ভট্টাচার্য। তাঁর বক্তব্য, “পুর কমিশনারকে শো-কজ করার দাবি জানিয়েছি কমিশনের কাছে।এটা তৃণমূলের রাজনৈতিক অভিসন্ধি, তা-ও জানিয়েছি কমিশনকে। তিনি অভিযোগ, “তৃণমূল রাহুলকে নিয়ে ভীত। মোদির সঙ্গে ওদের গোপন সখ্য রয়েছে! তাই এমন দ্বিচারিতা করছে তৃণমূল। এই দ্বিমুখী চরিত্রটাই তৃণমূলের আসল চেহারা!”
পুরসভার এক মেয়র পারিষদ জানিয়েছেন, গত মার্চে পরীক্ষার কারণে কংগ্রেসকে পার্ক সার্কাস ময়দান ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া যায়নি। তখনই কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছিল তারা। তার পরেই কমিশন পুরসভাকে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেয়, নির্বাচনের জন্য ওই পার্ক কোনও দলকেই ব্যবহার করতে দেওয়া যাবে না। তার ভিত্তিতেই এ বার পার্ক সার্কাস ময়দানের অনুমোদন দেওয়া হবে না বলে কংগ্রেসকে জানানো হয়েছে।
আর দ্বিচারিতার অভিযোগের প্রেক্ষিতে তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বলেছেন “এটা প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত। এ ব্যাপারে কিছু জানা নেই।”
পার্ক সার্কাস ময়দানের অনুমতি না পেয়ে আগের বারের মতোই সেনাবাহিনীর অধীনস্থ শহিদ মিনার ময়দানে রাহুলের সভা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে কংগ্রেস। সেনাবাহিনীর অনুমতিও মিলেছে বলে কংগ্রেস সূত্রের খবর। ওই দিন বেলা ১টা নাগাদ ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ডেবরায় রাহুল প্রথম সভা করবেন।
[b]ঢাকা, ৬ মে(টাইমনিউজবিডি) // টিআই।[/b]
মোদিকে হ্যাঁ, রাহুলকে না, কংগ্রেস ক্ষুব্ধ
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত কলকাতা পুরসভা পার্ক সার্কাস ময়দানে রাহুল গান্ধীর নির্বাচনী জনসভা করার অনুমতি দেয়নি। অথচ
বাংলাদেশের মতো ক্ষমতা বদলাতে চায় কংগ্রেস: ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী
কংগ্রেসকে ঘিরে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তার অভিযোগ, বাংলাদেশের মতো ভারতেও ক্ষমতার পালাবদল ঘটাতে চায় কংগ্রেস।
ফিরতে পারেন মমতা ভারতে এবার অখণ্ড কংগ্রেসের উদ্যোগ
কংগ্রেসের ভাঙন থেকে গড়ে ওঠা দলগুলোর সম্ভাব্য পুনর্মিলনের প্রশ্ন ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) এবং শরদ পাওয়ারের নেতৃত্বাধীন এনসিপি (এসপি) আবারও কংগ্রেসের সঙ্গে একীভূত হতে পারে, এমন জল্পনা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে রাজনৈতিক মহলে।
ভারতের কর্ণাটকে মন্ত্রিসভায় প্রতিনিধিত্ব চান মুসলিমরা, চাপের মুখে কংগ্রেস
কর্ণাটক মন্ত্রিসভায় অন্তত পাঁচজন মুসলিম মন্ত্রী নিয়োগের দাবি নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে। রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি জোরদার হওয়ায় বিষয়টি কংগ্রেসের জন্য নতুন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেসে নেতৃত্বে ব্যাপক রদবদল
পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকার গঠন হওয়ার পরেই প্রশাসনিক স্তরে বড়সড় রদবদল এনেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক দল। মূলত বিধানসভায় নিজেদের পরিষদীয় দলকে আরও শক্তিশালী করতে এই বদল আনে তৃণমূল কংগ্রেস।
তামিলনাড়ুতে সরকার গঠনে বিজয়ের পাশে কংগ্রেস, পেতে পারে দুই মন্ত্রিত্ব
ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে। দীর্ঘদিনের ডিএমকে ও এআইএডিএমকের দ্বিমুখী আধিপত্য ভেঙে বিধানসভা নির্বাচনে বড় সাফল্য পেয়েছে দক্ষিণী সুপারস্টার থালাপতি বিজয়ের দল তামিলাগা ভেত্রি কাজাগাম (টিভিকে)। তবে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় সরকার গঠনে দলটিকে সমর্থন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস।
















